ভূয়া মুক্তিযুদ্ধাদের নিয়ে বেতন ভাতা দিয়ে তামাশা চলছে। অথচ বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর নবীর স্বাধীনতা ৪৭ বছর পরও কিছুই পেলেন না।

স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর নবী ৪৭ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধের ভাতা পাননি এ ব্যাপারে কারও মাথা ব্যথা নেই। কমান্ডার জনাব লুৎফর রহমান এর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে ২৬ শে মার্চ বিকাল বেলায় মোঃ আলীর সাথে রুহীতখালী দেওয়ানজী বাজার এলাকায় বাশের লাঠি দিয়া প্রশিক্ষন আরম্ভ করিয়া সেকশন সোনাইমুড়ি বর্তমানে সোনাইমুড়ি থানার অধীন সোনাইমুড়ি ও বগাদিয়াতে মুক্তিবাহিনীর সাথে সহযোগীতায় ছিলেন।

এমনকি মহান মুক্তিযুদ্ধের রনাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের স্বার্থে যুদ্ধ করেছিলেন। যুদ্ধে অংশগ্রহন করা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য সহযোগী হিসাবে দীর্ঘ ০৯ (নয়) মাস মাঠে ছিলেন কাজ করেছেন প্রয়োজনীয় প্রমানাদি, কাগজপত্র, থাকা সত্ত্বেও তার মুক্তিযোদ্ধা ভাতা মিলেনি। যেহেতু মুক্তিযোদ্ধা নূর নবী মুক্তিযোদ্ধাদের সহকারী ছিলেন বিধায় তাহার কোন অস্ত্র জমা দেওয়া হয় নাই। এই মুক্তিযোদ্ধা নূর নবী ১৯৬৮ সনের আইয়ূব হটাও আন্দোলনে অংশগ্রহন করেছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ইং ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট গ্রহন না করায় এই বিরম্বনায় পরতে হয়েছে।

এই মুক্তিযোদ্ধা নূরনবী পরে জাতীয় বীর আলহাজ্ব এম.এ সামাদ সরকার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পূর্নবাসন সোসাইটি কেন্দ্রিয় কমান্ড কাউন্সিল এবং মুক্তিযোদ্ধা ছায়া প্রধানমšী¿ এর নিকট হইতে সনদ গ্রহন করেন। মুক্তিযোদ্ধা ছায়া সরকার মহামান্য হাইকোর্টের রায় ২৬-০৬-২০০০ ইং তারিখে রায় মোতাবেক গঠিত হয়। কিন্তু এই উচ্চ পর্যায়ের সনদটি নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড গ্রহণ না করায় ২০০১ ইং হইতে বিভিন্ন জায়গায় ধরনা দিয়েও এই বয়:বৃদ্ধা মুক্তিযোদ্ধা নূর নবী আজ অবধি মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্ত করতে পারেন নাই। সরকার বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধাদের নতুন করে আবেদন গ্রহণ করার কথা বললে নূর নবী যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরন করে আবেদন করলেও কোন এক অদৃশ্য কারনে নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার কমান্ড কাউন্সিল তার আবেদনটি গ্রহন করেননি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট এই মুক্তিযোদ্ধা নুর নবীর আকুল আবেদন মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম ভুক্তি করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

স/আর

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন