মাহাবুব ইসলাম উজ্জ্বল, মাগুরা প্রতিনিধি :

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা বাজারে অবস্থিত ২ হাজার ২০০ স্কয়ার ফিটের প্রাচীন বহু বছরের পুরনো ফাটলধরা ঝুঁকিপূর্ণ একতলা ভবনের ছাদে চলছে ৪ তলা ভবন নির্মাণের কাজ। ভবন নির্মাণের নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে ফাটল ধরা এই ছাদেই বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। নির্মানাধীন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি যে কোন সময় ধসে পড়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার নহাটা বাজারে ডা. দিব্যেন্দু মল্লিক তপন তার প্রাচীন ২০ বছরের পুরনো ২ হাজার ২০০ স্কয়ার ফিটের একতলা ভবনের উপর কোন ধরনের ফাউন্ডেশন ছারায় চার তলা ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ভবনটি বহুবছরের প্রাচীন হওয়ায় নিচ তলার ছাদে ছোট বড় অসংখ্য ফাটল ধরেছে। দূর্ঘটরা এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ ফাটল ধরা ছাদে ব্যবহৃত হচ্ছে কাঠ ও বাঁশ খুটি।
সরেজমিনে নহাটা বাজারের নির্মানাধীন ভবনে গেলে দেখা যায়, ভবনের নিচতলায় ছাদে প্রচুর ফাটল রয়েছে। ভবনের বাইরে ও ভেতরের দেওয়ালেও রয়েছে শত শত ফাটল। যে কোন সময় নির্মানাধীন ভবন ভেঙ্গে পড়তে পারে সন্দেহে ভবন মালিক ডা. দিব্যেন্দু মল্লিক তপন তার নিজের ঔষুধ ঘরের ভেতরে কাঠ ও বাঁশের খুঁটি দিয়ে ছাদের ফাটল ঠেকিয়ে রেখেছে। অনেক বড় ধরনের ঝঁকি থাকা সত্ত্বেও নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন শ্রমিকরা। ভূমিকম্প বা প্রকৃতিক দূর্যোগে বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারনা কারা হচ্ছে।

ভবন মালিক ডা. দিব্যেন্দু মল্লিক তপন বলেন, ফাটর থাকলেও সমস্যা নেই। আমি আমার নিজের জায়গায় ভবন নির্মানের কাজ করছি।
নহাটা বাজার বনিক সমিতির সাধারন সম্পাদক ডা. লিয়াকত হোসেন বলেন, ভবনটি আসলেই ঝুঁকিপূর্ণ। এভাবে ভবন নির্মাণ হলে যে কোন সময় ভবনটি ধসে লোকজন মারা যেতে পারে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরির্দশনের মাধ্যমে ভবন নির্মাণ কাজটি বন্ধের জোর দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান বলেন, বিষয়টি সংবাদিকদের মাধ্যমে জেনেছি। ঐ এলাকার চেয়াম্যানের সাথে কথা বলে খোঁজ নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন হলে সেটির বিরুদ্ধে আইননুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স/এষ্

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন