খোকার অনেক কাজ
-ইব্রাহিম খলিল

জানিস খোকা প্রথম যেদিন গর্ভে এলি তুই
সেদিন থেকেই ইচ্ছেটা খুব,কখন তোকে ছুঁই।
সেই যে মনের গুপ্ত ঘরে তোর ছবিটাই ভাসে
ঘুমের ঘোরে চেয়ে দেখি,তুইযে আমার পাশে।
তোর নাড়িতে আমার নাড়ির,সূক্ষ গভীর টান
তুই আর আমি দুইটা মানুষ,একটা তবু প্রান।
দিন গড়িয়ে মাস চলে যায়,মাতৃ গর্ভে তোর
তোকে ভেবে স্বপ্ন দেখে,রাতটা করি ভোর।
যত্ন এবং ভালোবাসা,তুই বুঝি পাস টের
মাতৃগর্ভে থেকেও তোর,দুষ্টুমিটা ঢের।
হঠাৎ করে হেসে উঠিস,হঠাৎ মারিস লাথি
গর্ভে থাকা দিন গুলিতে,মা,যে খেলার সাথী।
তোর হাসিটা আমিই শুনি,আর শোনেনা কেউ
তোকে ছোঁয়ার ইচ্ছেরা দেয়,মনের গাঙ্গে ঢেউ।
খেলা করিস লাথি মারিস,মা করেনা রাগ
কষ্ট যতো পাস রে খোকা,মা নিয়ে নেয় ভাগ।

এমন করেই হঠাৎ একদিন,দুর করে সব কালো
মায়ের কোলে এসে গেলি,ঘরটা করে আলো।
মা,যে এখন সারাটা দিন,চিন্তা করে তোর
কেমন করে তোকে দিবে,আলোকিত ভোর।
জানিস খোকা আমার মায়ে,আদর করে খুব
দিয়েছিলো সোনার নোলক,দেখতে অপরুপ।
তোকে মানুষ করতে নোলক,বেঁচে দিলাম হাটে
দুধেভাতে থাকিস যেনো,শু,তে পারিস খাঁটে।
শুনেছিলেন আমার কথা,রাব্বুল আল-আমিন
তাইতো এখন আমার খোকা,সুখে কাটায় দিন।
খোকার এখন খোকা আছে,মস্ত বাড়ি তার
বাড়ির লনে সবুজ ঘাস আর,রঙ্গিন বাতির ঝাড়।
খোকার বুঝি মায়ের কথা,মনেও নেই আজ
খোকা অনেক ব্যস্ত মানুষ,খোকার ভিষণ কাজ।

স/মা

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন