গৌরীপুর ময়মনসিংহ থেকে শেখ বিপ্লব :
মাদক এখন প্রতিহিংসা, প্রতিশোধ আর পুলিশের অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের প্রধান হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করছে।
এ কথা গুলো বলেন ১৪ জানুয়ারী (সোমবার) সকালে ময়মনসিংহের গৌরীপুর শহরের মাছ বাজারে চায়ের দোকানে চা চক্ররত কয়েকজন অভিভাবক আর পুলিশের হয়রানীর শিকার কয়েক জন যুবক।
দেশের যুব সমাজকে রক্ষায় সরকার বদ্ধ পরিকর পাশাপাশি আইন রক্ষাকারী বাহীনি যথেষ্ট ততপর। তার মাঝেও কিছু অসাধু পুলিশ ও মাদক নিরাময় সংশ্লীষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারী অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার হিসাবে বেছে নিয়েছে। পাশাপাশি ভেস্তে যাচ্ছে সরকার মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়।
ভূক্তভোগীরা বলেন, কিছু অসাধু সমাজ সংস্কারক, রাজনীতিক দলের নেতা বা সমাজ সেবকরা তাদের পোষে রাখা পুরানো জিদের প্রতিশোধ নেয়ার জন্য এখন মাদক দ্রব্যকে ব্যবহার করছে। রাজনৈতিক দলের নেতাদের ক্ষমতার দাপটে আর টাকা ওয়ালাদের টাকার বিনিময়ে অসাধু পুলিশদের দিয়ে অধূমপায়ী-ধূমপায়ী যুবকদের ধরিয়ে এনে মাদক মামলা দিয়ে তারা প্রতিশোধ নিচ্ছে। আর পুলিশ পাচ্ছে মোটা অংকের টাকা। বর্তমানে পুলিশ এ সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে উপার্জন করছে অতিরিক্ত অর্থ। বর্তমানে সন্ধ্যা হলেই গৌরীপুর থানা পুলিশের কিছু অসাধু পুলিশ বিভিন্ন রাস্তায় বের হয়ে পথচারীদের আটক করে তল্লাশী করে থানায় আনার হুমকি দিয়ে ওই স্থান থেকে আদায় করে টাকা। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে থানায় এনে মামলা দিয়ে কোর্টে প্রেরন করা হয়। আটকের ঘটনা কেউ জানতে চাইলে পুলিশ বলে পকেটে ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া গেছে। প্রতিহিংসা, পতিশোধ আর টাকার জন্য একটা ছেলেকে তার সারা জীবনে বয়ে আনে কলংক সমাজেরে চোখে তাকে বানানো হয় মাদক ব্যবসায়ী না হয় মাদকাসক্ত। এই কলংক তার পরিবার সারা জীবন বয়ে বেড়ায়।
ভূক্তভোগী কামাল, রুপচান, ওলি ও নাম প্রকাশে এক অভিভাবক এ প্রতিনিধির এক প্রশ্নে রিতিমত ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন সে দিন ইসলামাবাদ মাদ্রসার মাঠ থেকে আমাদের ধরে নিয়ে যায়, পরে সংশ্লীষ্ট পৌর কাউন্সিলর ৬ হাজার টাকার বিনিময়ে আমাদের ছাড়িয়ে আনে। আপনারা এ সব লিখেন না বলে লাভ কি। থানা পুলিশ বড় বড় মাদক ব্যবসায়ীদের ধরেনা মাসোহরা পায় বলে। তারা প্রকাশ্য মাদক বিক্রি করে বাজারে ঘুরা ফেরা করছে। যদিও মাঝে মাঝে ধরে তাহলে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে থানা থেকে ছেড়ে দেয়। বলে নেতার ফোন আসছিল বা আপনার মত সংবাদিকের ভাই। এক অভিভাবক দুঃখ করে বলেন আমার অধুমপায়ী ছেলেকে পুলিশ বাড়ীর সামনে থেকে ধরে নিয়ে যায়। ইজ্জত সন্মন আর ছেলের ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে রাতেই টাকার বিনিময়ে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনি। পুলিশের নাম জানতে চাইলে তিনি মুসকি হেসে বলেন সে দিন যারা হরিজনদের (সুইপার) হাতে লাঞ্চিত হয়েছে এ এস আই আঃ আওয়াল আর পুলিশ কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম। যাদের উৎপাতে মাছ বাজার থেকে কোনাপাড়া রোড অতিষ্ট। এ রোডের পথচারীরা এই ২ পুলিশের আতংকে আতংকিত। আমরা এখন সন্ধ্যার আগেই বাড়ী চলে যাই। উর্দ্ধতন কর্র্তৃপক্ষের কাছে এ ২ পুলিশের শাস্তী মূলক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানাচ্ছি।

স/এষ্

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন