সাঈদ ইবনে হানিফ :
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে শুকনো বীজতলা। প্রতি বছর ধান রোপনের আগে কৃষকরা বীজতলা তৈরী করে থাকেন নিচু এলাকার কাদাযুক্ত জমিতে। এ পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরী করতে অনেকটা কষ্ট হয় বলে জানিয়েছেন অধিকাংশ কৃষক। এ বছরের শুরুতেই ইরি মৌসুমে বীজতলা তৈরী করতে উপসকহারী কৃষি কর্মকর্তা করিম খান এ অঞ্চলের কৃষকদের মাঝে শুকনো বীজতলা ও এর গুণগত কার্যকরিতা সম্পর্কে কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন প্রকার পরামর্শ দিতে থাকেন। প্রাথমিক পর্যায়ে তার পরামর্শ কেউ গ্রহণ না করলেও উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের মোঃ আব্দুল লতিফ মোল্যা ও ঘোষ নগর গ্রামের দৈনিক সত্যপাঠ ও গ্রামের সংবাদ পত্রিকার প্রতিবেদক সাঈদ ইবনে হানিফ এই শুকনো বীজতলা তৈরীতে উদ্ভূদ্ব হন। সম্প্রতি এই শুকনো মাঠ পরিদর্শন করেছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা করিম খান। এ সময় তার সাথে ছিলেন কৃষক সহয়তাকারী এফ.এফ আমিরুল ইসলাম। রামনগর গ্রামের মৃত কাজল মোল্যার পুত্র মোঃ আব্দুল লতিফ মোল্যা ও সাংবাদিক সাঈদ ইবনে হানিফ জানান কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে এ বছরে আমি ব্রী আঠাশ জাতের ধানের এই শুকনো বীজতলা তৈরী করি প্রথমে শুকনো মাটির ছোট ছোট বিট তৈরী করে তাতে অল্প পানি দিয়ে ভিজিয়ে শুকনো ধান ছিটাতে হবে। এরপর ঐ ধানের উপর শুকনো ঝরঝরে জৈব সার দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। এভাবে বীজতলা সম্পূর্ণ হলে কমপক্ষে ১২/১৫দিন যাবৎ বীজতলার উপর পলেথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। ২৫/৩০ দিনের মধ্যে এই বীজতলার ধানের চারা রোপনের উপযোগী হবে। স্থানীয় কৃষকরা প্রথমে এই বীজতলা সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করলেও এখন তাদের মধ্যে উৎসাহ দেখা দিচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তা করিম খান বলেন শুকনো বীজতলার ধানের চারায় কোন প্রকার পচন বা ব্লাষ্ট রোগ দেখা দেওয়ার সম্ভবনা নেই। যে কারণে এই পদ্ধতিতে তৈরী বীজতলার ধান রোপন করলে কৃষকরা লাভবান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন