অতিরিক্ত মোটা হওয়া মারাত্মক শারিরীক ঝুঁকি। এটি ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপসহ নানা জটিল রোগ সৃষ্টি করে। তাই, বিপদ এড়াতে বাড়তি ওজন কমানো জরুরি। ব্যায়াম ছাড়াও ৫টি সহজ পদ্ধতি মেনে চললে বাড়তি ওজন কমাতে সমর্থ হবেন, মেদও হ্রাস পাবে।

পরিকল্পিত খাবার তালিকা: অতিরিক্ত চর্বিসমৃদ্ধ খাবার যতটা সম্ভব বর্জন করুন। অতিরিক্ত ভাজাপোড়ার পরিবর্তে সেঁকা, বাষ্পীয় ও গ্রিল জাতীয় খাবার খান। মাংস থেকে চামড়া ও চর্বি দূর করে রান্না করুন। এর ফলে প্রচুর পুষ্টি পাবেন, হার্ট সুস্থ থাকবে। বাড়তি ওজনের ঝুঁকিও কমবে। খাবার তালিকায় নানা স্বাদের শাকসবজি, ফলমূল, মটর বা শিমের বীচি এবং বাদাম রাখুন। ফ্র্যান্স ফ্রাই-এর বদলে আলুভাজা খান। `মেয়নেজ` এর পরিবর্তে মধু ও লেবু সমৃদ্ধ খাবার এবং মাখনসমৃদ্ধ নান-এর বদলে খাদ্যতালিকায় রুটি রাখুন।

সঠিক খাবার নির্বাচন: ক্ষুধা লাগলেই আপনি হয়তো হাতের কাছে কিংবা ফ্রিজে যা-ই পান তা-ই খান। এ অভ্যাস বর্জন করুন। বরং ফলমূল, রান্না করা সবজী, স্যান্ডউইচ জাতীয় রেডিমেট খাবার ফ্রিজে বা হাতের কাছে রাখুন।

খাবারের সময় মেনে চলা: খাবারের সময় হলেই খেতে হবে, উপোস থাকা কিংবা অনিয়ম করা যাবে না। কেননা, সময়মতো খাবার গ্রহণ না করলে আপনার শরীর নিয়মিত পুষ্টি পাবে না, বিপাক ক্রিয়া কমে যাবে। এর ফলে, বাড়তি ওজনের ঝুঁকি থাকবে।

আপনি যখন আবেগজনিত অবস্থায় থাকবেন সেসময়ের বদলে শিথিলসময়ে খাবার গ্রহণ করুন, পরিপাক উত্তম হবে, ঝুঁকি কমবে।

একাগ্রচিত্তে খাবার গ্রহণ: টিভি দেখা, কম্পিউটার চালানো, কাজে ব্যস্ততা কিংবা বিশৃঙ্খল মানসিক অবস্থায় খাবার বর্জন করুণ। টেবিলে বসে ধীর-সুস্থ-একাগ্রচিত্তে খাবার গ্রহণ করুন।

মন নিয়ন্ত্রণ: রসনা বিলাস এড়িয়ে চলুন, নিয়মিত ব্যায়াম করুন। শুধুমাত্র ক্ষুধা পেলেই খাবার গ্রহণ করুন। অন্যথা হলে ঝুঁকিতে থাকবেন আপনি।

স/এষ্

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন