মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের চলাঞ্চলের ককটেল ইউনিয়ন খ্যাত মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে বুধবার সকাল থেকে ইউপি চেয়ারম্যান মহসিনা হক কল্পনা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রিপন পাটোয়ারী সমর্থকদের মধ্যে মুহুমুহু ককটেল বিস্ফোরন ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সকালে চৈতারচর গ্রামে ককটেল হামলায় জড়িয়ে পরে দু”পক্ষের লোকজন। সংঘর্ষে প্রায় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরনের ঘটটনা ঘটে। এ সময় গুলিবিদ্ধসহ ১০ জন আহত হয়। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধদের মধ্যে ৫ জনের পরিচয় পাওয়া গিয়েছে তারা হলেন লিজা (৩০), মিম (১৫), খালেদা আকতার (৩৫), ফালান ও (৩৫), সজল হোসেন। এদের মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে । দ্বিতীয় দফায় চরডুমুরিয়া, আমঘাটা, কংশপুরাসহ বিভিন্ন গ্রামের দু”পক্ষের সমর্থকরা ককটেল, দেশী, বিদেশী অস্ত্র নিয়ে আলুর জমিতে অবস্থান নেয়। একপাশ দিয়ে পুলিশ ধাওয়া করলে অপর প্রান্তে গিয়ে জরো হয়। বিভিন্ন গ্রামে একটু পর পর ককটেল হামলা শুরু হওয়ায় স্থানীয় সাধারন মানুষের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে ।


সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আমঘাটা গ্রামের পশ্চিমপাশে চরডুমুরিয়া, কংশপুরা, রাজারচরসহ বিভিন্ন গ্রামের দু”পক্ষের সমর্থকদের দেশী বিদেশী অস্ত্রসহ বালতি ভর্তি ককটেল নিয়ে মহড়া দিতে দেখা গেছে। দুপুরের দিকে সদর থানা পুলিশের বড় একটি দল কংশপুরা এলাকায় জমিতি থাকা অস্ত্রধারীদের ধাওয়া করে । এ সময় পুলিশ পরিত্যাক্ত অবস্থায় একটি বন্ধুক উদ্ধার করেন। একই সময় ধাওয়া করে পুলিশ আহাদউল্লাহ (৩৫) নামের একজনকে আটক করে। অন্যদিকে চৈতারচরে অপরপক্ষের হামলায় টুন্ডা মানিক নামের একজন নদীতে পড়ে যায়। পরিবারের লোকদের দাবি মানিক নদীতে ডুবে গেছে । একাধিক ডুবরী দল তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।


মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আলমগীর হোসাইন বলেন, আমরা সংঘর্ষের জন্য জরো হওয়া লোকদের ধাওয়া করিলে ফসলি জমিতে পরিত্যাক্ত অবস্থায় একটি বন্ধুক উদ্ধার করি। আহাদউল্লাহ নামের একজনকে আটক করা হয় । এলাকায় পুলিশ টহলে রয়েছে । বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে ।

স/ধা

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন