ষ্টাফ রিপোর্টার : কেরানীগঞ্জে ভূমিদস্যুদের তান্ডবলীলা চলছে। ভূমিদস্যুরা ঘুষখোর ও দূর্নীতিবাজদের ঘুস দিয়ে মুখ বন্ধকরে নীরিহ অসহায় মানুষের বাড়িঘর ও সহায়সম্মত্তি দখল করছে। কোথাও ক্ষতিগ্রস্থরা বিচার পাচ্ছে না। এখানে বিচারের বানী যেন নীরবে কাদেঁ। এখানে এধরনের ঘটনা একটি দুটি নয়, অনেক।
এমনি একটি ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন ৭০ বছরের বৃদ্ধা জামিলা খাতুন ওরফে জামিনা। তিনি জানান, স্বামীর ওয়ারিশ সূত্রে তিনি কেরানীগঞ্জের মৌজাস্থিত সিএস ও এসে ২৫৫ এবং আর এস ৩৯৪ ও ৩৯৬ নং দাগের জমি ১ ষোল আনায় ৩১ শতাংশ এর কাতে ০৭.৫০ শতাংশ সম্মত্তি এবং বড় জয়নগর মৌজার দাগ নং-৪০৬ জমির পরিমান ২৬ শতাংশ, সর্বমোট ৩৩.৫০ শতাংশ সম্মত্তিতে ভোগ দখলে আছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় স্থানীয় ভূমিদস্যু ০১। লুৎফর রহমান (৩৯), পিতা- আমীনুদ্দিন, ০২। সিরাজুল ইসলাম (৬৫), পিতা- মৃত সুবাহান, ০৩। এমরান ডাক্তার (৫৫), পিতা- মৃত আব্দুল কাদির, ০৪। অপু (৩৫), পিতা- এমরান ডাক্তার, ০৫। কোরবান (৫০), পিতা- মৃত তোতামিয়া, ০৬। সেলিম ভেন্ডার, (৪৫)। মজলু (৪০) সর্বসাং- বাংলানগর কেরানীগঞ্জ মডেল থানা, ঢাকা এরা সন্ত্রাসী কায়দায় আমার উক্ত জমী দখল করতে চাচ্ছে। আমার জমিতে নির্মাণ কাজ চলছে তারা আমাকে নানা ধরনের ভয় ভীতি ও হুমকী প্রদর্শন করে চলছে। আমি ন্যায় বিচারের প্রত্যাশায় এই প্রতারক ও ভূমি জালিয়াতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। তিনি বলেন আমার বসত বাড়ির অল্পদূরে এই প্রতারকরা নীরিহ মানুষের জমি দখল করে “প্রতারকনগর” গড়ে তুলেছে। এ নিয়ে আদালতে মামলা হয়েছে। মামলা নং ১৯১/২১৭ উক্ত জমিতে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আদালতের দিক নির্দেশনা রয়েছে। এতেও উক্ত দূবৃত্তরা নির্মাণ কাজ করে দখলের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তিনি বিষয়টি থানা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গৃহিত হয়নি। ভূমিদস্যুরা বহাল তবিয়্যতে আছে। জামিলা খাতুন ওরফে জামিনা এ ব্যাপারে প্রধান মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন। জামিলা আশা করেছেন ভূমিদস্যু জালিয়াতরা তার জমি দখল করলেও একদিন তাকে ক্ষতিপূরণ সহ দিতেই হবে।

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন