ঢাকার সদরঘাট অঞ্চলের বুড়িগঙ্গা নদীর দু’পাড়ের যাত্রীদের সহজে যাতায়াতের লক্ষ্যে বুড়িগঙ্গা নদীর তলদেশে ‘টানেল’ নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বুধবার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন এবং নতুন সম্প্রসারিত টার্মিনাল ভবনে বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে এক বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।

শাজাহান খান বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও বিআইডব্লিউটিএ’র কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় নান্দনিক পরিবেশ ফিরে এসেছে। লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা হকারমুক্ত করা হয়েছে। নতুন টার্মিনাল ভবন, পার্কিং ইয়ার্ড নির্মাণ, বনায়ন ও পন্টুন বৃদ্ধির ফলে যাত্রী সাধারণের চলাচলের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি পেয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ২০১০ সালের ১ জুলাই থেকে ঢাকা সদরঘাটকে ইজারাদারমুক্ত করা হয়েছে। পোস্তগোলার কাছে শ্মশানঘাটে নতুন একটি অত্যাধুনিক লঞ্চ টার্মিনাল ভবন নির্মাণ করা হবে। এ লক্ষ্যে সদরঘাট থেকে শ্মশানঘাট পর্যন্ত ২.৫ কিলোমিটার রাস্তা বিআইডব্লিউটিএ অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, লঞ্চে ওঠার আগে টিকেট সংগ্রহ করে সদরঘাটে প্রবেশের ব্যবস্থা করা হবে। এতে যাত্রী হয়রানি অনেকাংশে কমে আসবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।

এসময় মন্ত্রী সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের সার্বিক পরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করেন। নদী রক্ষায় বিআইডব্লিউটিএকে আরো বেশি কাজ করার আহ্বান জানান। এক্ষেত্রে তিনি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মন্ত্রী কুড়িগ্রামের ‘চিলমারী নদী বন্দরের’ উন্নয়ন কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।

স/শা

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন