ধানের দাম কম

গৌরীপুর ময়মনসিংহ থেকে শেখ বিপ্লব :
এবার দুর্যোগপুর্ন আবহাওয়া পরও ময়মনসিংহের গৌরীপুরের কৃষকরা আমন ধান কেটে ঘরে তুলতে পেরে বেজায় খুশি। গেল বর্ষা মৌসুমে প্রতিকুল আবহাওয়ায় অতি বৃষ্টিতে বার বার আমন ধান পানিতে তলিয়ে পড়ায় ভেঙ্গে পড়ে কৃষকের মন। দফায় দফায় বাড়তে থাকে ধানের দাম সবার মাঝে অস্থিরতা বৃদ্দি পায়। বিদেশ থেকে শুরু হয় চাল আমদানী ব্যবসাায়ীরা পোক্ত করে তাদের সিন্ডেকেট। সরকার মজুদ বিরোধী অভিযান শুরু করে। তার পরও কমেনি চালের দাম সাধারন মানুষ চাল কিনতে হাপিয়ে উঠে। সরকার শুরু করে খোলা বাজারে (ওএমএস) চাল বিক্রি। কিছুটা থমকে দাড়ালেও জন প্রতিনিধি আর কালো বাজারীরা হাত মিলিয়ে দুর্নীতি আর আতœীয় করনের মাধ্যমে সরকারের সেই গতিকে মন্থর করে দেয়। সকল চালের দাম নাগালের বাহিরে চলে যাওয়ায় নাভিশ্বাস হয়ে উঠে নিন্ম আয়ের মানুষের। হুমড়ি খেয়ে উঠে (ওএমএসে’র) দোকানে। বাজারে চাল ৪৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হতে থাকে গরিব ও নিন্ম আয়ের মানুষসহ মধ্যবিত্তরাও সেই চালের দোকানে চাল কিনতে যায়। সরকার মজুদ বাড়িয়ে বাজার নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করে। পাশা পাশি আগাম জাতের আমন ধান বাজারে উঠতে শুরু করে। প্রকার ভেদে প্রায় মাসেক খানি আগেই ধান কাটতে উঠতে শুরু করে কৃষকরা। তখন ধানের দাম বৃদ্দি থাকার ফলেও বাজারে কোন প্রভাব পড়েনি। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ২২ হাজার হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষমাত্রা ছিল তার মাঝে আবাদ হয়েছে ২০ হাজার ৯৫ হেক্টর। উপসী-১৮৫৪০ হেক্টর, হাই ব্রিড- ১২০ হেক্টর ও স্থানীয় ১৪৩৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ করা হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষমাত্র নির্ধারন করা হয়েছে ৫৪২৫৪ মেঃ টন। উপসী প্রতি হেক্টরে ২.৮০ মেঃ টন, হাই ব্রিড-৩.৫০ মেঃ টন ও স্থানীয়-১.৬৮ মেঃ টন। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম গুলো ঘুরে কৃষকদের সাথে কথা বললে তারা জানায়, অতি বৃষ্টিতে বার বার ধান গাছ তলিয়ে পড়ার কারনে শীষ একটু কম হলেও ধানের ফলন বেশি একটা খারাপ হয়নি। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারনে এবার খরচ একটু বেশি হলেও কিছু করার নেই এতেই খুশি। তবে খরচের তুলনায় বাজারে ধানের দাম কম।

স/এষ্

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন