মো. সাদের হোসেন বুলু নবাবগঞ্জ থেকে.
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বক্সনগর ইউপির বর্দ্ধনপাড়া গ্রামে ৩ প্রতিবন্ধী মানবেতর জিবন যাপন করছে দীর্ঘ দিন। আর এসব সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে নেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এই অঞ্চলে কর্মরত কোন বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা (ঘ.এ.ঙ)। তারা কোনো ভাতাও পান না।
উপজেলার বর্দ্ধনপাড়া গ্রামে বসবাসরত একই পরিবারের সদস্য স্বপন (৩৫) পিতা মৃত প্রাণতুস দাস শুব্রত(২০) পিতা মৃত গবিন্দ দাস ও বিশাল (১২) পিতা শ্রীভাস দাস নামের ৩ জনই শারিরীক ত্রুটি নিয়ে জন্ম গ্রহণ করে। যৌথ পরিবারের এসব প্রতিবন্দ্বীরা কেউই ভাতা পান না। গরিব অসহায় পরিবারে জন্ম নেয়ায় উন্নত চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়নি তাদের। ফলে প্রতিবন্ধী পরিচয়েই বেঁচে আছে এই সমাজে। তাদের তিন জনের হাত ও পা অকেজো , মুখ স্বাভাবিক নয়। হাঁটা চলাফেরা করতে পারে না। শুব্রত ও স্বপনের পিতা বেঁচে নেই। তারা গরিব মা ও ভাইদের সংসারে পরিবারের বোঝা হয়ে কোন মতে বেঁচে আছেন।
স্বজনদের দাবী সরকার আসে সরকার যায় এই অসহায় ছেলে ৩ টিকে কেউ কোন সাহায্য সহযোগীতা করেন না। এমন কি প্রতিবন্ধী ভাঁতাও পায় না তারা। স্বপন জানায় সে রাস্তায় বাদাম বিক্রি করে কোন মতে জীবন চালাচ্ছে। তার একটি হুইল চেয়ারের প্রয়োজন অনেকে দিতে চেয়েও দেয়নী। শুব্রত চকলেট, বিড়ি ,সিগারেট বিক্রি করে ঠিকমতো কথা বলতে পারে না। কোন মতে সংসারে মার সাথে আছে। তার মা বিভিন্ন বাসা,বাড়িতে ঝি এর কাজ করে সংসার চালায়।
বিশাল তার মা ও বাবার সাথে বাড়িতে বসে থাকে। আত্বীয় স্বজনরা তাকে এড়িয়ে চলে। স্কুলে পাঠানো দেওয়ার কথা বলতেই ওর মা জানায়, পিতা শ্রীভাস দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ্য। টানা টানির সংসারে দুবেলা ভাত জোটেনা সময় মতো লেখা পড়াতো অনেক দুর।এসময় প্রতিবন্ধী পরিবার অভিভাবকরা পত্রিকার মাধ্যমে তাদের প্রতিবন্ধী সন্তানদের বেঁচে থাকার সংগ্রামে সমাজের বিত্তবানদের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেছেন।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, দ্রুত তাদের বিষয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। যাতে তারা সকল সরকারী সুযোগ সুবিধা পায়।

স/এষ্

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন