সঞ্জয়পুর হয়ে গগণ বাজার পর্যন্ত আনুমানিক ১০ কিলোমিটার ভেরিবাঁধ মাটির রাস্তাটির বেহাল দশার ,জনদূর্ভোগ

মো রাজিব তালুকদার জেলা প্রতিনিদি (ঝালকাঠী) কাঠালিয়া:

ঝালকাঠি সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী বিনয়কাঠি ইউনিয়নের কল্যাণকাঠী-ভায়া আবাসন-সঞ্জয়পুর হয়ে গগণ বাজার পর্যন্ত আনুমানিক ১০ কিলোমিটার ভেরিবাঁধ মাটির রাস্তাটির বেহাল দশার কারনে জনদূর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে। এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ জীবিকার টানে বরিশালসহ ঝালকাঠি শহরের চলাচল করে থাকে। রাস্তায় চলাচলকারীদের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগামী শিক্ষার্থীদের বেশী দূর্ভোগ পোহাতে হয় কারন একটু বৃষ্টি হলেই হাঁটু পর্যন্ত কাঁদা হয়, এ সময় হাটু কাঁদাপানিতে সয়লাব হয় তখন ঘটে ছোট বড় দূর্ঘটনা এমনকি আছাড় খেয়ে তাদের সাথে থাকা বই-পুস্তক জামাকাপড় ভিজে একাকার হয়ে যায়। তবে নারীদের কষ্ট হয় বেশী বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসা কেন্দ্রে নিতে হলে অভিভাবকদের কষ্টের আর শেষ থাকে না কারণ রাস্তার বেহাল দশার জন্য কোন গাড়ী ঢুকতে পারে না। এই এলাকাটি কৃষি নির্ভর হওয়ায় গরীব কৃষকরা ফসলাদি নিয়ে হাট বাজারে যেতে পারে না ফলে তাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রাস্তায় চলাচলকারিদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মোস্তাফা তালুকদার, মোঃ জাহা΅ীর তালুকদার ও মোঃ জামান তালুকদার সাংবাদিকদের দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, প্রতি বছরই রাস্তা সংস্কারের নামে রাস্তার দুই পাশ থেকে কিছু মাটি কেটে ছেটে রাস্তার উপর দিয়ে থাকে একটু বৃষ্টি হলেই তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরে এবং মাটি ধুয়ে পাশে পড়ে যায় এর চেয়ে যদি ইট বিছিয়ে দিতো তাহলে জনগনের উপকারে আসতো রাস্তাটি পাকা না থাকার কারনে তাদের চলাচলে বেশ কষ্ট হচ্ছে তাই এ ব্যাপারে অত্র এলাকার জনগন স্থানীয় এমপি মাননীয় শিল্পমন্ত্রী’র হস্তক্ষেপ কামনা করেন। রাস্তা সম্পর্কে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ সাইফুল ইসলাম খান জানান, এই রাস্তাটি অতিগুরুত্বপূর্ন তাই জরুরী ভিত্তিতে এই রাস্তাটি কাপেটিং হওয়া প্রয়োজন ।

স/মা

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন