লক্ষ্মীপুরে সদ্য যোগদানকারী টি.আই এর সাথে একান্ত স্বাক্ষাৎকার

এ.কে.আজাদ (জেলা প্রতিনিধি) লক্ষ্মীপুর ঃ-

লক্ষ্মীপুরে সদ্য যোগদানকারী ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মামুন আল আমিন এর সঙ্গে একান্ত স্বাক্ষাৎকারে মিলিত হয়েছেন দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ও চমক নিউজ (অনলাইন) পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এ.কে.আজাদ। একান্ত স্বাক্ষাৎকারে সদ্য টি.আই জানান, এ জেলায় যোগদান করার পূর্বে ব্রাহ্মনবাড়ীয়া, খুলনা, চট্টগ্রাম, ঢাকা সহ বেশ কয়টি জেলায় অতি সুনামের সহিত কর্মরত ছিলেন। লক্ষ্মীপুর টি.আই হিসাবে তার ভূমিকা কেমনে হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করবো ট্রাফিক বিভাগের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে। যানজট নিরসন নিয়ে তিনি বলেন, ট্রাফিকের পাশাপাশি গনসচেতনতা খুবই জরুরী। রাস্তার অবকাঠামোর কারণে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে যেসব চোরাইকৃত মোটর সাইকেল আমদানি, বিভিন্ন বাইকের মাধ্যমে নেশা জাতীয় দ্রব্য আনা নেওয়া করা হয় তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রতিশ্রুতি ও ব্যক্ত করেন তিনি। স্বাক্ষাৎকারের সময় কমলনগরের দায়িত্বরত সার্জেন্ট দোলোয়ার হোসেন জানান, ট্রাফিক বিভাগ অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাছাড়া ট্রাফিক আইন মেনে চলার লক্ষ্যে গণসচেতনতা সৃষ্টির জন্য গণমাধ্যম কর্মীদের ভূমিকাও অনেক। মামুন আল আমিন আরও জানান, বাংলাদেশের সবক’টি জেলার থেকে লক্ষ্মীপুরের সড়ক, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটাই উন্নত। সাংবাদিক, সুশিল সমাজ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবগর্, মালিক-শ্রমিকদের সাথে আলোচনা করে এ ডিপার্টমেন্টকে সচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে লক্ষ্মীপুরের ট্রাফিকজোন নিরলসভাবে কাজ করবে। তবে সড়ক ব্যবস্থাপনার দিক থেকে এ জেলায় পরিবহন ও যান চলাচলের জন্য গাড়ির সংখ্যা খুবই সীমিত। সব মিলিয়ে লক্ষ্মীপুরে ট্রাফিক আইন হবে সচ্ছ এমনটাই প্রত্যাশা করেছেন সদ্য যোগদানকারী এই পুলিশ কর্মকর্তা।

স/মা

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন