হারুন-অর-রশীদ,ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অলিগলিতে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা অসংখ্য কোচিং সেন্টারে চলছে জমজমাট শিক্ষা বাণিজ্য। এতে অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। পাশাপাশি গরিব ও অসহায় শিক্ষার্থীরা ওইসব কোচিং সেন্টারে কোচিং করতে না পেরে পরীক্ষায় ‘ফলাফল ভালো’ করতে পারছে না বলে তাদের পড়ালেখায় বিপর্যয় ঘটছে।

সরকারি নীতিমালায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রাইভেট কোচিং পরিচালনা নিষিদ্ধ থাকার পরেও মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ সরকারি, বেসরকারি, এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের অসাধু শিক্ষকরা এসব বিদ্যালয়-কলেজের শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলকভাবে তাদের নির্দিষ্ট কোচিং সেন্টারে সকাল-সন্ধ্যা কোচিং করতে বাধ্য করছেন।

জেলা শহরেও শতাধিক কোচিং সেন্টার গড়ে উঠেছে। এসব কোচিং সেন্টারের শিক্ষকরা শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে গ্রামগঞ্জের হাট-বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে চটকদার সাইনবোর্ড, ব্যানার টাঙিয়ে এবং এসব সাইনবোর্ড, ব্যানারে ‘শতভাগ পাশের নিশ্চয়তা’ দিয়ে জমজমাটভাবে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। আর শতভাগ পাশের নিশ্চয়তায় শিক্ষার্থীরাও আকৃষ্ট হচ্ছেন। তারা পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের আশায় এসব কোচিং সেন্টারে বেশি টাকা দিয়ে হলেও ভর্তি হওয়ার অসম প্রতিযোগিতায় নামতে বাধ্য হচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষক সাংবাদিকদের জানান, সরকারি নীতিমালায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রাইভেট কোচিং পরিচালনা নিষিদ্ধ শোনার পর বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের কোচিং প্রাইভেট কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলে দেওয়া হয়েছে। তারপরও যদি কোনো শিক্ষক গোপনে এভাবে প্রাইভেট পরিচালনা করেন তাহলে তদন্তপূর্বক প্রশাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ বলে মনে করি।

স/মা

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন