মোঃ রাজিব তালুকদারঃঝালকাঠির কাঠালিয়ায় উপজেলা সদরের স্কুল সড়কটির খুবই খারাপ অবস্থা। জানা গেছে এই রাস্তাটি দিয়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানের লোকজন সহ এলাকার শত শত ঘর বাড়ির লোকজন চলাচল করে। এ বিষয়ে স্কুল রোডের বাসিন্দা ওয়ালি খান নান্টু বলেন, বৃষ্টি হলে এলাকার লোকজন তথা স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। কি কারনে এ সড়কটির এ অবস্থা হয়েছে তা জানতে চাইলে বলেন, আগে থেকেই স্কুলের রোডটি সংস্কার করা উচিৎ ছিলো বর্তমানে প্রাইমারী স্কুলের নতুন ভবন করা হচ্ছে। তাহার মালামাল আনা নেওয়া করাতে ভারী যানবাহন কলের নাঙ্গল, ট্রাক্টর, ট্রলী ব্যবহার করেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এ কারনে এখন রাস্তাটি চলাচল অনুপযোগী হয়ে গেছে। এ বিষয়ে প্রাইমারীর এক শিক্ষক কবির হোসেন বলেন, বৃষ্টি হলে রাস্তাটি দিয়ে নৌকা চলে এমন অবস্থা হয়। কারন হিসেবে তিনিও বলেন, কাঠালিয়া মডেল প্রাইমারী নতুন ভবনের রাজাপুরের কন্ট্রাকটর আরিফ হোসেন তিনি এই কাজের জন্য ভারী যানবাহন ব্যবহার করার কারনে এই রাস্তার বেহাল অবস্থা হয়েছে বলে জানান শিক্ষক কবীর। ঐ এলাকার বাসিন্দা সেকান্দার মেম্বর এর ছেলে শাহজাহান বলেন, রাস্তাটি খারাপ হওয়াতে এলাকার লোকজনের কাদাপানির উপর দিয়ে হাটতে হয়। সর্বপরি দুটি স্কুল মডেল প্রাইমারী স্কুলের ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা ও কাঠালিয়া পাইলট গার্ল্স স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের চলা ফেরার জন্য অনুপযোগী হয়ে গেছে। কাঠালিয়া মডেল প্রাইমারী স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র একই এলাকার দুলাল মিয়ার পুত্র মামুন বলেন, স্কুলের মালামাল আনা নেওয়া করার কারনে রাস্তাটি চলাচল অনুপযোগী হয়ে গেছে। এটি দ্রুত উন্নয়ন করা দরকার। সর্বপরি সবাই বলেন, স্কুলের ভবন করার জন্য ছোট রাস্তা দিয়ে মাইন্দ্রা ট্রাকটর, ভারী যানবাহন ব্যবহারের কারনে রাস্তাটির বেহাল অবস্থা হয়েছে। স্কুল রোডের দোকানদার চন্দু সিকদার এর ছেলে বারেক মিয়া বলেন, কন্ট্রাকটরের মালামাল ভারী যানবাহনে আনার কারনে রাস্তাটি খানা খন্দক হয়েছে। এ ব্যাপারে উক্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সাব-কন্ট্রাকটর জাহাঙ্গীরকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আসল কন্ট্রাকটর না এ ব্যাপারে কন্ট্রাকটর আরফিকে ব্যপারটি নিয়ে কথা বলার জন্য বলেন সাব-কন্ট্রাকটর জাহাঙ্গীর। বিষয়টি ঠিকাদার আরিফকে ০১৮৫৭৯…৪১৮ নম্বরে ফোন দেওয়া হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায় বলে তার কাছ থেকে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

স/এষ্

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন