খাইরুল ইসলাম, ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠিতে প্রতিবন্ধী স্কুল শিক্ষার্থীদের আবেদন!!

প্রতিবন্ধী বলতে আমরা বুঝি কোনো কারণে ঘটিত দীর্ঘমেয়াদি অথবা জন্ম থেকে কোনো ব্যক্তির শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিগত, বিকাশগত, বা ইন্দ্রিয়গত ক্ষতিগ্রস্থতা এবং ওই ব্যক্তির প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিগত ও পরিবেশ গত বাধা সৃষ্টি। প্রতিবন্ধীদেরও যে আর ১০ জন মানুষের মতো বিশেষ কোনো প্রতিভা থাকে-আছে তা আমরা অনেকেই জানি না। সমাজ বা আমরা তাদের আলাদা চোখে দেখি বলে তারা তাদের প্রতিভাগুলো প্রকাশ-করার কোনো সুযোগ পায় না।

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার একমাত্র “স্বাধীন বাংলা বুদ্ধীপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি” এ্যাডভোকেট সৈয়দ মোঃ শামীম জাহঙ্গীর এর নিজ উদ্যোগে ২০১৬ সালে ১০ লক্ষ টাকার নিজস্ব সম্পত্তিতে চার কক্ষ বিশিষ্ট টিন সেট বিল্ডিং নির্মান করেন। স্কুলটিতে বর্তমানে ৮০ জন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছাত্র/ছাত্রী নিয়ে সুনামের সাথে শিক্ষা সেবা দিয়ে চলছে। সুইড বাংলাদেশ পরিচালনায় বর্তমান ৮০ জন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছাত্র/ ছাত্রীকে সুইড বাংলাদেশ প্রশিক্ষন কেন্দ্র থেকে আট জন শিক্ষক প্রশিক্ষন গ্রহন করে বিদ্যালয়ের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীদের শিক্ষা দান করছেন। অসহায় অবহেলিত গরিব ছাত্র/ ছাত্রীদের যাতায়াতের জন্য করিয়াছে স্কুল ভ্যানের ব্যবস্থা।

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা এ্যাডভোকেট শামিম জাহাঙ্গির জানান, বর্তমানে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন থেকে প্রতিবন্ধী অধিদপ্তর করায় জাতীর পিতার সুযোগ্য কন্যা, বাংলার মানুষের অহঙ্কার, উন্নয়নের কর্ণধার, ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার, সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আমি আমার প্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষ থেকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। কাঠালিয়া উপজেলার একমাত্র “স্বাধীন বাংলা বুদ্ধীপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি” নিজ উদ্যোগে ২০১৬ সালে ১০ লক্ষ টাকার নিজস্ব সম্পত্তিতে চার কক্ষ বিশিষ্ট টিন সেট বিল্ডিং নির্মান করি। পরে এক এক করে এখন স্কুলটিতে ৮০ জন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছাত্র/ছাত্রী নিয়মিত সুনামের সাথে শিক্ষা সেবা নিচ্ছে। এখন এদের পূর্নবাসনের দরকার এবং অসুস্থ্য বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীদের সু-চিকিৎসার ব্যবস্থা ও তাদের খেলাদুলা করার জন্য পর্যাপ্ত খেলনা না থাকার করনে ছাত্র-ছাত্রীরা আনইজিফীল করে। তবে বর্তমানে সুইড বাংলাদেশ পরিচালনায় করছে এবং তাদের প্রশিক্ষন কেন্দ্র থেকে আট জন শিক্ষক প্রশিক্ষন গ্রহন করে এই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষা দান করছেন।

তিনি আরো বলেন, এখন সারা দেশে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য নানা রকম প্রতিবন্ধী স্কুল গড়ে উঠেছে। এসব স্কুল তাদের লুপ্ত প্রতিভা প্রকাশ করতে বড় ভূমিকা পালন করে। আর এই সব স্কুল থেকে তারা শুধু এদেশেই নয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে খেলাধুলা করে জয় করে নিয়ে এসেছেন স্বর্ণ। যেটা সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ মাথা উচু করে দিয়েছে। আর এই অর্জন একজন ভালো সুস্থ মানুষেরও করা সম্ভব নয়। আর এই জন্যই প্রতিবন্ধীরা আমাদের দেশ ও জাতীর জন্য গর্ব। আমাদের সবার উচিত প্রতিবন্ধীদের অবহেলা না করে তাদের জন্য ইতিবাচক কিছু করা। আসুন আমরা সবাই মিলে সমাজে পূর্ণ ও কার্যকর অংশগ্রহণে প্রতিবন্ধীদের পাশে দাঁড়াই। তাহলেই তারা তাদের প্রতিভা দিয়ে বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হয়ে উঠতে পারবে।

আর এই কাঠালিয়া উপজেলায় অসহায় গরিব অবহেলিত প্রতিবন্ধীদের যাহাতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন থেকে পূর্নবাসন, অসুস্থ্য বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীদের সু-চিকিৎসার ব্যবস্থা ও তাদের খেলাদুলা করার জন্য খেলনা সহ অর্থীক সহযোগীতা পাইতে পারি তাহার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

স/মা

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন

Power by

Download Free AZ | Free Wordpress Themes