গৌরীপুর ময়মনসিংহ থেকে শেখ বিপ্লব

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের ছিলিমপুর গ্রামের রিক্সাওয়ালা মোঃ আব্দুল কদ্দুছ (৫০) ১ বছরে আলিশান বাড়ী , মাঠ ভরা ফসিলি জমি, পার্শ্ববর্তী ঈশ্বরগঞ্জ ও গৌরীপুর শহরে বাসার জায়াগা এ সম্পত্তির উৎস্য কি এলাকাবাসী জানতে চায়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উল্লেখিত গ্রামের মোঃ আব্দুল কদ্দুছ আজ থেকে ১ বছর পূর্বেও সিলেট ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় রিক্সা চালানোসহ শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালাতো। ভাঙ্গা ঘরে তার স্ত্রী সন্তান বসবাস করতো। ২ ছেলে ছোট ছেলে ৮ম শ্রেনীতে পড়ে, বড় ছেলে মোঃ খসরু মিয়া (২৭) আধা শিক্ষীত চট্টগ্রামে পোশাক শিল্পের শ্রমিকের কাজ করে বলে তারা শুনেছে। হঠাৎ কদ্দুছ মিয়া রিক্সা চালানো ও শ্রমিকের কাজ ছেড়ে দেয়।

প্রতি মাসেই একাধিকবার খসরু স্থানীয় বিকাশের দোকানে হাজার হাজার টাকা পাঠায়। মাস ২/৩ মাস পর পর সে বাড়ীতে আসে চট্টগ্রাম থেকে। আর তার সাথে সাক্ষাতের জন্য নিজ উপজেলাসহ আশপাশের উপজেলা থেকে প্রতি রাতেই মটরবাইকে করে লোক জন আসতো। এলাকার কিছু মাদকাসক্তরা তার সিকিউরিটি হিসাবে সার্বক্ষনেই থাকতো। এরি মাঝে কদ্দুছ নিজ এলাকায় প্রায় ৩৪ কাঠা ফসিলি সম্পত্তি সাফকাওলা মূলে কিনে। স্থানীয় গাগলা মোড়ে ও শাহগঞ্জবাজারে জমি কিনে।

পাশাপাশি গৌরীপুর পৌর শহরের মাঝিপাড়া ইসলামাবাদ সিনিয়র দাখিল মাদ্রাসার পিছনে বাসার জন্য জমি ক্রয় করে। পাশ্ববর্তী ঈশ্বরঞ্জ উপজেলার পৌর শহরে জমি ক্রয় করে। গ্রামের বাড়ী ছিলিমপুরে ৩ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে এক আলিশান বাড়ী করে। এরি মাঝে খসরুর চ্ট্গ্রাম থেকে আসা যাওয়ার মাত্রা বেড়ে যায়। আর খসরুর বাড়ীতে অপরিচিত লোকজনের যাতায়াতও বৃদ্ধি পায়। এলাকাবাসী আরো জানায় খসরু চ্ট্গ্রাম থেকে ইয়াবার (বাবা) বড় বড় চালান আনে আশপাশের উপজেলায় তার মনোনিত লোক জনদের দিয়ে পাইকারী বিক্রি করায়। এ সন্ধেহে সম্প্রতি গৌরীপুর থানার বর্তমান প্রশিক্ষনরত এস আই জাহাঙ্গীর আলম খসরু ও তার সাথে চ্ট্গ্রাম থেকে আসা এক বন্ধুকে আটক করে। চতুর খসরু সেই বন্ধুকে খসরু বলে চতুরতার সাথে পালিয়ে যায়।

পরে থানা থেকে সেই আটককৃত খসরুর বন্ধুকে তার মনোনিত লোক রাতেই ছাড়িয়ে নিয়ে রাতেই চট্টগ্রামে চলে যায়। এলাকাবাসীর এমন অভিযোগে সম্প্রতি সরেজমিনে গেলে এলাকাবাসী ভীতসন্তস্থ্য হয়ে বলেন তার চারপাশে এলাকার চিহিৃত মাদকসেবীরা থাকে কি বলবো যে খেতে পায়নি তার ১ বছরে আলিশান বাড়ী কোটি টাকার মালিক কিছু জানতে চাইলে জীবন হারাতে হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানায়, গৌরীপুরের চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ীরাও তার এখানে আসতে দেখা গেছে। তারা আরো বলেছে পতেঙ্গা ও চ্ট্গ্রামেও তার বিরোদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে তারা শুনেছে। এ সব কথা শুনে গনমাধ্যম কর্মীরা তার বাড়ীর সামনে যাওয়া মাত্রই খসরু ছাদ থেকে নেমে আসে আর সাংবাদিক শুনেই হামলা চালায়। এ সময় তার লোকজন সাংবাদিকদের মোবাইল ক্যামেরাসহ অন্যান্য ব্যবহার সামগ্রী ছিনিয়ে নেয় এবং ভাংচুর চালায়।

এ ব্যাপারে গৌরীপুর থানায় গনমাধ্যম কর্মী লিখিত অভিযোগ করলে সাথে সাথে বিষয়টি খসরুকে অবগত করানো হয়। পরক্ষনেই খসরু গনমাধ্যম কর্মীকে হুমকি স্বরুপ বিষয়টি জানায় এবং গৌরবের সহিত বলে থানাও তার লোক আছে। বিষয়টি ওসি গৌরীপুরকে অবগত করানো হলে তিনি এ এস আই রুহুল আমিনকে সরে জমিনে তদন্তের জন্য নির্দেশ দেন। গত ৩ মাস যাবত এর তদন্ত চলছে আর কত দিন তার তদন্ত চলবে ত বালা মুশকিল। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা এ এস আই রুহুল আমিন জানায় আজ ২৮ আগষ্ট গিয়েছিল পিতা পূত্র কাউকেই পাওয়া যায়নি। এলাকাাসী দুদকের হস্থক্ষেপ কামনা করছে।

 

স/মা

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন