চমক প্রতিবেদক : ময়মনসিংহের গফরগাঁও-এ টিনএজ বালক জাহিদুল ইসলাম বাপ্পি, পিতা- এ.কে.এম বদরুজ্জামান বাদল, গ্রাম-ষোলহাসিয়া, থানা- গফরগাঁও, জেলা- ময়মনসিংহকে প্রতারনামূলকভাবে বিবাহ করার পর, এখন কৌশলে এই ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিরা দূরে সরে গিয়ে তার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। বাপ্পির পরিবার থেকে অভিযোগ করা হয়, এলাকায় বাপ্পি নিরাপদ নয়। তাকে ব্ল্যাকমেইলকারী রেদোনা, শাহজাহান, নাছিরউদ্দিন, সিদ্দিকুর রহমান এরা গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তাদের উষকানিমূলক তৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে গফরগাঁও থানাধীন ছয়বাড়িয়া গ্রামের আব্দুল হেকীমের ছেলে আজিজ দারোগা। অপর দুইজন জাহাঙ্গীর আলম ও নাছির উদ্দিন। এই আজিজ দারোগা কয়েকমাস পূর্বে বাপ্পিকে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে ২০ লক্ষ টাকা মোহরানার নামে চাঁদাবাজীর অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়। বর্তমানে সে গাজীপুর জেলায় ডিবি অফিসে কর্মরত। ইতিপূর্বে ঢাকার বিভিন্ন থানায় দায়িত্ব পালনকালে নিরীহ মানুষকে হয়রানী করার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে আছে। এই কারণে সে বরখাস্তও হয়েছিল বলে একজন কর্মকর্তা জানান। বর্তমানে সে বাপ্পির কাছ থেকে ২০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। আজিজ দারোগার পাশাপাশি জাহাঙ্গীর ও নাছির উদ্দিন বর্তমানে বাপ্পির পরিবারকে হুমকি দিয়ে চলেছে। তাদের হুমকিতে গফরগাঁও এর ষোলহাসিয়া গ্রামের লোকজন টটস্থ।

ইতিপূর্বে কিশোর বালক জাহিদুল ইসলাম বাপ্পি ও তার মা জরিনা খাতুন তাদের জানমাল ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন আবেদন নিবেদন করেন। জাহিদুল ইসলাম বাপ্পির মা মিসেস জরিনা বেগম একটি অত্যান্ত সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ও মর্যাদাশীল। তিনি একজন ধার্মিক মহিলা হিসেবে এলাকায় তার সুনাম রয়েছে। বাপ্পির বাবা এ.কে.এম বদরুজ্জামান বাদল দেশের একটি শীর্ষ স্থানীয় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবসর প্রাপ্ত সদস্য এবং তিনি কুয়েত প্রবাসী। দেশে বিদেশে তারও অনেক সুনাম রয়েছে। উল্লেখ্য যে, কয়েক মাস পূর্বে ষোলহাসিয়া গ্রামের কিশোর বালক বাপ্পিকে নানা কৌশলে হুমকি দিয়ে রেদোনা, শাহজাহান, কাজী নজরুল, নাছিরউদ্দিন, সিদ্দিকুর রহমান, পাপিয়া, জাহাঙ্গীর ও আব্দুল হেলিম সংঘবদ্ধকে হয়ে বাপ্পিকে অপহরণ করে ২০ লক্ষ টাকা মুক্তিপনের লোভে তার বয়স ও তার পিতা মাতার বিবাহের কাবিন নামার সাল গোপন করে একটি ভূয়া কাবিন নামা তৈরী করে। এই চক্রের মূল হোতা কুখ্যাত আজিজ দারোগা। এই আজিজ দারোগাই বাপ্পিকে ক্রস ফায়ারের হুমকি দিয়েছিল এবং বর্তমানেও নানা কুটকৌশল চালিয়ে যাচ্ছে বলে সে জানায়।
এই দুঃখজনক অবস্থা থেকে উদ্ধারের জন্য বাপ্পি বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ, ঢাকায় একটি আবেদন জানিয়েছিল বিগত ০১/০৭/২০১৬ইং তারিখে। এর পর বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ব্যপক অনুসন্ধান চালায়। মানবাধিকার সংস্থাটি বিষয়টির অনুসন্ধান ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে সে সময় সিরাজগঞ্জের থানার ওসি মোঃ হেলাল উদ্দিন, এস. আই. মোঃ মাহামুদুল হাসান, কামারখন্দ থানার ওসি, গফরগাঁও থানার ওসিসহ প্রশাসনের সহায়তা চেয়ে অনেক চেষ্টা করেও তাদের হাজির করা যায়নি। তারা সত্যের মুখোমুখি হয়নি।
এই ব্যপারে উল্লেখিত পুলিশবাহিনীর সদস্যগণও ন্যায় বিচারের স্বার্থে যথেষ্ট পরিশ্রমও করেন।
সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে চাইলে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদের মহাসচিব বাংলাদেশ সুর্প্রীম কোর্টের এডভোকেট মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, ন্যায় বিচারের স্বার্থেই আমরা কাজ করি। এই কারণে বিবাদী পক্ষকে হাজির হওয়ার জন্য কার্যক্রম গ্রহণ করি। আসামী/বিবাদী পক্ষের লোকজন যেমন, কাজী নজরুল, দারোগা আজিজ, মানবাধিকার সংস্থায় আসামীদের হাজির করবেন বলে কালক্ষেপন করেন, কিন্তু তারা হাজির হননি, এরফলে তাদেরই অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যায়। বাংলাদেশে সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট আনোয়ার হোসেন বলেন ন্যায়ের স্বার্থেই প্রকৃত অপরাধীর বিরুদ্ধে মাননীয় আদালতের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। আদালতের প্রতি সংশ্লিষ্ট সকলেই শ্রদ্ধাশীল হওয়া বাঞ্চনীয়।

স/ এষ্

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন

Power by

Download Free AZ | Free Wordpress Themes