সাঈদ ইবনে হানিফ, বাঘারপাড়া: একজন পঙ্গু কবির হোসেন পিতার নাম দাউদ হোসেন বাঘারপাড়া উপজেলার জহুরপুর ইউনিয়নের ইঙ্গের পাড়া গ্রামে বসবাস করেন। ৯ বছর আগে একটি সড়ক দূর্ঘটনায় তার একটি পা হারাতে হয়। বসবাসের জন্য তার কোন জমি জায়গা নেই। অর্থ সম্পদ যা ছিল চিকিৎসা করতে গিয়ে সব হারাতে হয়েছে। স্ত্রী ও তিন সন্তানের সংসার তার সহায় সম্বলহীন এই কবির হোসেনের সংসারের ঘানি টানতে ভিক্ষা করার কথা কিন্তু না কারোর করুণাপাত্র নয় পা না থাকলে গায়ে যখন শক্তি আছে তখন সম্মানের উপার্জনকেই তিনি প্রাধান্য দিলেন। আগে তিনি ফুচকা, তিলের খাজা, পত্রিকা বিক্রী করে জিবীকা নির্বাহ করতেন। বর্তমানে সে ব্যাটারী চালিত ভ্যান চালিয়ে উপার্জন করছেন। কিন্তু এর মাধ্যমে তিনি ৫ সদস্যের সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। কবির হোসেন বলেন, তার মতো অক্ষম নয় অনেক সক্ষম ব্যক্তিকেও দেখা যায় ভিক্ষা বৃত্তি করতে। ভিক্ষা কোন কর্ম নয়। তার মতে পঙ্গু বা প্রতিবন্ধী যেই হোক প্রত্যেকেই যদি তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কর্ম বেছে নিতেন তাহলে দেশে ভিক্ষুকের পরিমাণ কমে যেত। তার দাবি এ বিষয়ে সরকারী ও বেসরকারী সংস্থা গুলো তাদের জীবন জীবিকার মান উন্নয়নে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।

স/এষ্

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন