ইউপি নির্বাচন ঘিরে গট্টি ইউনিয়নে নৌকার প্রত্যাশী যারা

ইউপি নির্বাচন ঘিরে গট্টি ইউনিয়নে নৌকার প্রত্যাশী যারা

আবু নাসের হুসাইন, সালথা প্রতিনিধি: আগামী ২০২১ সালের মার্চ ও এপ্রিল মাসে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ঘিরে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে চেয়ারম্যান প্রার্থীরা আগে থেকেই জোড় তৎপরতা শুরু করেছেন। আগে থেকেই ইউনিয়নের সর্বত্রই এখন প্রার্থীদের পদচারনা শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, ২০২১ সালের ইউপি নির্বাচন ঘিরে গট্টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠণিক সম্পাদক খন্দকার রেজাউর রহমান চয়ন, বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান লাভলু, গট্টি ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ খোরশেদ খান ও এ্যাড. ইব্রাহিম হোসেনের নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়াও বিএনপি, জাকের পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন এর মনোনীত প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহন করবেন বলে জানা গেছে।

www.linkhaat.com

খন্দকার রেজাউর রহমান চয়ন জানান, তিনি ১৯৭৩ ইং সালে ইউনিয়নের কসবা গট্টি গ্রামে মিয়া বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লতিফুর রহমান (মুকুল মিয়া) ও মাতার নাম সৈয়দা দেলোয়ারা বেগম। তিনি ১৯৮৮ ইং সালে সিরাজগঞ্জ বিএল গভঃ হাইস্কুল থেকে এস.এস.সি পাশ করেন। ১৯৯০ ইং সালে ফরিদপুর সরকারী রাজেন্দ্র কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাশ করেন।

১৯৯৩-৯৪ ইং সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসএস সম্মান ও এমএসএস রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্পন্ন করেন। ১৯৮৮ ইং সালে রাজেন্দ্র কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৯০ ইং সালে ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক ছিলেন। ২০০৩ ইং সাল থেকে ২০১১ ইং সাল পর্যন্ত গট্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। বর্তমানে তিনি সালথা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠণিক সম্পাদক হিসেবে কাজ করে আসছেন।

হাবিবুর রহমান লাভলু জানান, তিনি ১৯৭১ ইং সালে গট্টি ইউনিয়নের লক্ষনদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম লাল মামুদ মাতুব্বার ও মাতার নাম সামেলা খাতুন। তিনি ২০১৪ ইং সালে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ও তার পরিবারের সাথে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। ২০১৬ ইং সালে নৌকা প্রতীক পেয়ে বিপুল ভোটে গট্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসেবে কাজ করছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

খোরশেদ খান জানান, তিনি ১৯৭৫ ইং সালে ইউনিয়নের আগুলদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম মোঃ ওসমান খান ও মাতার নাম ছবিরন নেছা। তার পিতা ওসমান খান আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে একজন নিবেদীত কর্মী ছিলেন।

১৯৮৬ ইং সালে পিতার হাতধরে আওয়ামী লীগের মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নেন তিনি। ১৯৯৬ ইং সালে গট্টি ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। ১৯৮৬ ইং সাল থেকে এ পর্যন্ত তিনি একাধারে আওয়ামী লীগের একজন নিবেদীত কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছেন। তিনি এলাকায় ধর্মীয় ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

এ্যাড. ইব্রাহিম হোসেন জানান, তিনি ১৯৭৭ ইং সালে ইউনিয়নের ভাবুকদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম আঃ ছামাদ মোল্যা ও মাতার নাম ছাহেরা বেগম। তিনি ১৯৯৪ ইং সালে লস্করকান্দী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি পাশ করেন। ১৯৯৭ ও ২০০০ ইং সালে ফরিদপুর সরকারী রাজেন্দ্র কলেজ থেকে এইচ.এস.সি এবং বিএ পাশ করেন। ২০০২ ইং সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল.এল.বি সম্পন্ন করেন।

১৯৯৫ ইং সালে রাজেন্দ্র কলেজের ভিপি অনিমেষ রায় ও জিএস জাহিদ ব্যাপারীর নেতৃত্বে ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন। ২০০১ ইং সালে গট্টি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু আইনজীবি পরিষদ ফরিদপুর জেলা শাখার অর্থসম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

উল্লেখিত প্রাথীরা পৃথক পৃথকভাবে বলেন, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের কাছে তারা নৌকা প্রতীক চাইবেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলে তারা নির্বাচন করবেন। আর দল যাকে মনোনয়ন দিবেন তার জন্য কাজ করবেন বলে জানান প্রার্থীরা।

সযএষ্

Print Friendly, PDF & Email
Spread the love

Warning: A non-numeric value encountered in /home/chomoknews/public_html/wp-content/themes/Newspaper/includes/wp_booster/td_block.php on line 997