গজারিয়ার বড়ইকান্দিতে কাশফুলের মনোরম দৃশ্য

এম এম রহমান. মুন্সীগঞ্জ : শরৎ মানেই আকাশে নরম তুলোর মতো শুভ্র মেঘের ভেসে বেড়ানো আর দিগন্তজোড়া প্রান্তরে কাশফুলের মনোরম দৃশ্য। প্রকৃতি প্রিয় মন খেয়াল খুশি মত আকাশে ভেসে বেড়াতে না পারলেও ইচ্ছে হলেই কাশফুলের রাজ্যে হারিয়ে যেতে পারে।

আর তাই নগরীর বুকে ব্যস্ততার অবসরে কাশফুলের বিস্তৃর্ন প্রান্তরের সৌন্দর্য উপভোগকারীর সংখ্যা কম নয়। সাধারনত নদী তীর এবং পানির কাছাকাছি ফাঁকা বালুময় জমিতে প্রচুর কাশফুল ফুটে। শরৎ অর্থাৎ সেপ্টেম্বর, অক্টোবর মাসে সাধারনত কাশফুল ফোটে। ঠিক তখনই বেড়ানোর উপযুক্ত সময়।

www.linkhaat.com

কাশফুলের শ্রভ্রতায় মনকে শান্ত করতে গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের বড় ভাটেরচর বড়ইকান্দিতে চলে আসতে পারেন ভ্রমন পিপাসুরা। বেলা বাড়ার সাথে সাথে এখানে বিনোদন প্রেমীদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। আর কাশবনের পাশে নদীর তীরের হিমেল বাতাস মনকে করে তোলবে চাঙ্গা।

ভ্রমন পিপাসুরা সড়ক পথে গজারিয়া উপজেলার ভাটের চরে এসে থামবে। এরপর ভাটেরচর বড়ইকান্দি ব্রিজে দাঁড়ালেই সেই কাশবনের দৃশ্য ভ্রমন পিপাসুদের আকৃষ্ট করবে। ব্রিজ পার হয়ে কাশবনের দৃশ্য উপভোগ করতে করতে ঢাকা হোমনা সড়কের দু”পাশ দিয়ে পর্যটকরা কখন যে কুমিল্লায় ঢুকে পড়বে বুঝতেই পারবেনা কেউ। রাস্তার দু”পাশের এই কাশবনের দৃশ্যটি গজারিয়ার বড়ইকান্দির লোকজনই বেশী উপভোগ করে।

বিকেল হলে হাজার হাজার মানুষ কাশফুলের এই মনোরম দৃশ্য দেখে মনটাকে শীতল করে। কাশবনটির বেশীরভাইগ কুমিল্লা জেলাতে হলেও পর্যটকরা গজারিয়া মহাসড়ক থেকে দেখতে পারে। ঢাকা – চট্রগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে চলচলকারী যাত্রীরা এই দৃশ্যটি দেখতে পারে। কাশবনটি লুটের চর হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। কাশবনের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি ফটো সেশনের জন্য এই কাশবনটি একটি আদর্শ জায়গা।

স/এষ্

Print Friendly, PDF & Email
Spread the love