মুন্সীগঞ্জে নদীতে জেলে ছদ্দবেশে চাঁদাবাজ ও ডাকাত দল সক্রিয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা মেঘনা তীরবর্তী গ্রাম কালিরচর। বহু বছর আগে থেকেই কালিচর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মেঘনা নদীতে সক্রিয় ছিলো ডাকাত দলের সদস্যরা। পুলিশের কঠোর হস্তক্ষেপে বিভিন্ন সময়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় একাধিক সক্রিয় ডাকাত চক্রের।

১ বছর পূর্বে মেঘনা তীরবর্তী গ্রামের বাসিন্ধা এবং নৌপথের চলাচলকারী নৌযান চালক ও যাত্রীরা ছিলো বাবলা বাহিনীর আতংকে। বর্তমানে বাবলা জেল থেকে বের হওয়ায় তার সহযোগিরা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি বরযাত্রীর ট্রলারে ডাকাতির ঘটনায় বাবলা বাহিনীর লোকজন জড়িত ছিলো বলেও জানাগেছে ।

www.linkhaat.com

বাবলা বাহিনী ও তার দলের সদস্যরা মেঘনা নদীতে সিবোট দিয়ে ডাকাতি করিত। পরবর্তীতে বাবলা জেলে গেলে কিছুদিন স্ব:স্থিতে ছিলো সাধারন মানুষ। কিন্তু সম্প্রতি বাবলা জেল থেকে জামিনে বের হয়ে আসায় আবারও জনমনে আতংকের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাবলা জেলে থাকায় দীর্ঘদিন মেঘনা নদীতে কোন ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি। এখন নদীতে জেলেদের মাছ জোর পূর্বক ছিনিয়ে নেয়া। বরযাত্রী এবং পিকনিকের ট্রলারে ডাকাতি বেরে গেছে। এলাকাটিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না এবং নদী তীরবর্তী হওয়ায় প্রশাসনের লোক আসার আগেই সিবোট নিয়ে পালিয়ে যায় বাবলা বাহিনীর সদস্যরা।

তাছাড়া বিস্তৃর্ন চরে কাঁশবনে লুকিয়ে থাকে বাবলার লোকজন। দিনের বেলা তারা নদীতে জেলে । আর সন্ধ্যার পরই তারা রূপ পাল্টিয়ে নেমে পড়েন ডাকাতির কাজে। তাদের ভয়ে স্থানীয়রা কোন প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেনা।

চর আব্দুল্লাহ নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক মো: ফরুক হোসেন চমক নিউজকে বলেন, বাবলা বাহিনীর লোকজন নদীতে সিবোট দিয়ে ডাকাতি করে। তার বিরুদ্ধে ৭/৮ টি মামলা চলমান আছে। সম্প্রতি বাবলা জামিনে বের হওয়ার পর থেকেই নদীতে বরযাত্রী, পিকনিকের ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা বেড়ে গেছে। বাবলা ও তার বাহিনীকে ধরার জন্য আমরা সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

বাবলা বাহিনীর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রদিবেদন চলমান থাকবে।

স/এষ্

Print Friendly, PDF & Email
Spread the love