সরিষাবাড়িতে গোরস্থানের টাকা উধাও রাস্তার টাকার হদিস নেই

সরিষাবাড়ি প্রতিনিধি : জামালপুরের সরিষাবাড়ি পৌরসভার গোরস্থানের টাকা উধাও এবং টিআর(অর্থ) বরাদ্ধের টাকায় রাস্তা মেরামতের টাকার হদিস নাই বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্ঠ ব্যক্তিরা নানা অনিয়ম করে গোরস্থান ও রাস্তা মেরামতের টাকা আত্মসাৎ করেছে এমনটি অভিযোগ স্থানীয়দের ।

www.linkhaat.com

সরোজমিনে ঘুড়ে ও সরিষাবাড়ী পৌরসভা সুত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ইং অর্থ বছরে সরিষাবাড়ি পৌর কেন্দ্রিয় গোরস্থান উন্নয়কল্পে ৫লক্ষ ৪০ হাজার টাকা স্থানীয় সরকার থেকে বরাদ্ধে আসে। কিন্তু সরিষাবাড়ী পৌর মেয়র রুকনুজ্জামান টাকা গুলো উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন ।

২নং ওয়ার্ডে অবস্থিত সামর্থবাড়ি-মূলবাড়ি পৌর কেন্দ্রিয় গোরস্থান সংশ্লিষ্ঠ ব্যক্তিরা তাদের নিজ উদ্যেগে গোরস্থানের আগাছা পরিষ্কার করেছেন। অপরদিকে ২০১৯-২০ইং অর্থ বছরে ২য পর্যায়ে সামর্থবাড়ী মেইন রোড হইতে খোরশেদের বাড়ী হয়ে শামছুল আলম মাহমুদ সাহেবের বাড়ী পর্যন্ত মাটির রাস্তা সংস্কারকরণের জন্য জন্য ৪৩হাজার ৫’শ টাকা বরাদ্ধ আসে।

ওই রাস্তায় কোন কাজ না করে সমূদয় টাকা কাউন্সিলর সোহেল রানা আত্মসাৎ করায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তার বিষয়ে জানতে চাইলে সামর্থবাড়ি গ্রামের খোরশেদ বলেন, সরকারী টাকা আইছে কি-না জানি না।কাউন্সিলর সোহেল কোন কাজ করেননি। আমাদের যাতয়াতের অসুবিধা হয় তাই আমরা নিজেদের শ্রম ও টাকা দিয়ে রাস্তা মেরামত করেছি।

অপর দিকে গোরস্তানের দারোয়ান জানান,আমার ৭/৮ মাসের বেতন বাকি। গোরস্থানের জন্য কোন বরাদ্ধ আইছে কি-না জানি না। গত ২/৩ বছরের মধ্যে কোন কাজ হয় নাই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর সোহেল রানার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, গোরস্থানের জন্য ৫লক্ষ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্ধ এসেছিল জানি।

সেই টাকা মেয়র নিজেই আত্মসাৎ করেছেন। রাস্তার কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সঠিক কোন জবাব না দিয়ে পাশ কাটিয়ে যান। এ বিষয়ে মুঠোফোনে পৌর মেয়র রোকনুজ্জামানকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব (পৌর -২) ফারজানা মান্নান বলেন, গোরস্থানের টাকার হদিস নেই , এটা তো আর আমরা জানিনা । বলতে পারবে মেয়র। মেয়র না থাকলে প্যানেল মেয়র ও সচিব কে জিজ্ঞাসা করুন। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব মহসিন জানান,বিষয়টি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা,উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা প্রসাশককে জানান। টি আর প্রকল্পে কোন অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স/এষ্

700
Print Friendly, PDF & Email