করোনায় সামনে দেশের যে পরিস্থিতি হতে যাচ্ছে

মাহিন সরকার : দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪৬০৮ এবং মৃত্যু হয়েছে ৬১০ মানুষ। কোথায় গিয়ে থামবে এই মহামারি? এটাই কি সংক্রমণের সর্বোচ্চ গতি, নাকি আরো ভয়ানক রূপ দেখতে হবে? এমন অনেক জিজ্ঞাসা মানুষের মনে।

www.linkhaat.com

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এ নিয়ে একটি প্রক্ষেপণ প্রস্তুত করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, জুন মাসের মাঝামাঝিতে সংক্রমণের গতি আরো বাড়বে। কমতে শুরু করবে জুলাইয়ের শেষ নাগাদ।

আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ এস এম আলমগীর চমক নিউজকে বলেন, হঠাৎ করে বলা হলো অফিস, গার্মেন্টস খুলে দেয়া হবে সবাই ঢাকা চলে আসো। তখন একদল লোক ঢাকায় চলে আসলো এবং পরদিন বেতন দিয়ে বলা হলো তোম’রা বাড়ি চলে যাও। এভাবেই সারাদেশে করো’নাটা ছড়িয়েছে।

এরপর মার্কেট খুলে দিয়ে আরও ঝুঁকি বাড়ানো হলো। জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্ম’দ শহীদুল্লাহ বলেন, একটি ফেরির মধ্যে গাদাগাদি করে লোকজন বাড়ি গেল। এদের মধ্যে অনেকে উপসর্গ ছাড়াই কোভিড পজিটিভ ছিল, যারা গ্রামে গিয়ে সবার সাথে মিশেছে।

এর ফলে এটি খুব দ্রুতই গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে টানা ছেষট্টি দিনের সাধারণ ছুটি শেষ হচ্ছে ত্রিশে মে। পরদিন খুলছে অফিস-আদালত। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় সংক্রমণ নিয়ে নতুন আরেকটি প্রক্ষেপণ তৈরি করেছে আইইডিসিআর। সে-অনুযায়ী, জুলাইয়ের শেষ দিকে সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসতে পারে সংক্রমণ।

আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ এস এম আলমগীর বলেন, ‘আমাদের হিসেব মতে জুনের ১৫ তারিখ পর্যন্ত এখন যেমন করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে তেমনই থাকবে। এটি সহজে স্বাভাবিক হবে না, তবে জুলাইয়ের শেষের দিকে সহনীয় পর্যায়ে আসতে পারে।’

স/এষ্

700
Print Friendly, PDF & Email