আশকোনার সেই করোনা আক্রান্ত যুবক রাজধানীতেই পালিয়ে বেড়াচ্ছে

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজধানীর আশকোনা এলাকায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এক যুবক পালিয়ে বেড়াচ্ছে। ওই যুবককে খুঁজতে খুঁজতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে পুলিশ।

মোঃ নাজমুল নামের ঐ যুবক আশকোনা বসবাস করতো। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে যুবকের শরিরে ৭ এপ্রিল করোনা সনাক্ত হয়। হাসপাতালে আক্রন্ত যুবক নিজের বাসস্থান উল্লেখ করেন, আশকোনা গুলবাগ। কিন্তু আশকোনাতে কোন গুলবাগ নেই। তবে রসুলবাগ বলে একটি এলাকা রয়েছে। নিজের শরিরে করোনা আছে জানতে পরে সুকৌশলে হাসপাতাল থেকে পালন নামজুল নামের ঐ ব্যাক্তি।

www.linkhaat.com

দক্ষিণ থানার পুলিশ যুবকের বাসভবনটি লকডাউন করতে গিয়ে নিদৃষ্ট কোন বাসার সন্ধান পায়নি। এ অবস্থায় আশকোনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ওই করোনা রোগীকে হন্যে হয়ে খুঁজছে দক্ষিনখান থানা পুলিশ। সন্ধ্যার পর থেকে নিখোঁজের সন্ধান পেতে পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকায় ক্ষণে ক্ষণে মাইকিং করা হয়। দক্ষিণখান থানার ওসি শিকদার মো. শামীম হোসেন চমক নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, দক্ষিণখান থানাধীন আশকোনা এলাকার একটি বাসার বাসিন্দা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে মর্মে বাসাটি লকডাউন করার নির্দেশনা পায় পুলিশ। কিন্তু ওই বাসায় যাওয়ার পর পুলিশ জানতে পারে শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া ওই যুবক পলাতক রয়েছেন। তার সন্ধানে বিভিন্ন কার্যক্রম চালাচ্ছে পুলিশ।

এদিকে আশকোনায় অবস্থানরত মেস বাসিন্দাদের অনেকে নিজ নিজ এলাকায় যাবার পরে করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। আশকোনা ঘুরে দেখা যায় ‍পুরো এলাকার মধ্যে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।

আশকোনা বাসিন্দা এ্যাডভোকেট নাসিম ওমর সাথী জানান, করোনা থেকে সবাইকে মুক্ত করতে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে আশকোনার পশ্চিম পাড়া লকডাউন করা হয়েছে। যেহেতু আশকোনা একটি ঘণবসতিপূর্ন এলাকা যেহেতু করোনা নিয়ে পুরো এলাকার মানুষ খুব আতঙ্কে আছে। সেই সাথে আশকোনায় করোনা রুগীর সন্ধান পাবার পরে সেই আতঙ্ক আরো বহু গুনে বেড়ে গেছে।

বর্তমানে এলাকার মানুষ সরকারের আদেশ মেনে বাসা বাড়িতেই অবস্থান করছে। তিনি আরো বলেন, পালিয়ে বেড়ানো যুবকের ঠিকানার ব্যাপারে বিভ্রান্তি রয়েছে তাই পুরো আশকোনা লকডাউনের দাবী জানাচ্ছি।

স/এষ্

Print Friendly, PDF & Email
Spread the love

Warning: A non-numeric value encountered in /home/chomoknews/public_html/wp-content/themes/Newspaper/includes/wp_booster/td_block.php on line 997