পাইকগাছায় সকল কার্যক্রম বন্দ থাকলেও চলমান রয়েছে ইটভাটার কার্যক্রম

ইমদাদুল হক,পাইকগাছা? (খুলনা)।। দেশে করোনা ভাইরাস রোধে সরকারের পক্ষ থেকে সারা দেশে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এবং উপজেলা পর্যায়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

www.linkhaat.com

গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে এলাকার সকল ধরণের সমাবেশ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড, যেমন মেলা, গানের আসর, সার্কাস, বহু লোকের উপস্থিতিতে বৈবাহিক অনুষ্ঠান, টি-স্টল, দোকান-হোটেল রেস্তোরায় আড্ডা, কমিউনিটি সেন্টার, পিকনিক স্পট, বিনোদন পার্ক, কোচিং সেন্টার, বাসা-বাড়িতে গ্রুপে প্রাইভেট পড়ানো, ক্লাবসমূহে গণজমায়েত, ক্লাব ভিত্তিক টুর্নামেন্ট, ধর্মীয় অনুষ্ঠান যেমন ওয়াজ মাহফিল, নামযজ্ঞ সহ সকল প্রকার গণজমায়েত পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

অপরদিকে জন সমাগম এড়াতে সরকারি অফিস -আদালত,বাস,কল কারখানা পোশাক শিল্প, সকল প্রকার আমদানি-রপ্তানি বন্দ করলেও বহাল তবিয়াতে চলছে ইটভাটার কার্যক্রম।প্রশাসনের পক্ষ থেকে চলতি বছরে পরিবেশ রক্ষার্থে ও দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য জনবহুল এলাকার অনেক ইটভাটা বন্দ করেছে। কিন্তু দেশে বর্তমান করোনা ভাইরাসের প্রভাব যেন পড়ছে না ইটভাটা গুলোতে।

ইট ভাটা মালিকরা প্রশাসনের বৃদ্ধা আঙ্গুলী দেখিয়ে পরিচালনা করছে ভাটার কার্যক্রম। দেশে হাজার হাজার ইটভাটা চলমান রয়েছে। প্রতিটা ইটভাটায় ধুলা বালুর মধ্যো হাজার হাজার শ্রমিক জিবিকা নির্বাহের জন্য কাজ করে।

এ ব্যাপরে পরিবেশ বাদি সংগঠন বন বিবির উপজেলা সভাপতি সাংবাদিক প্রকাষ ঘোষ বিধান বলেন, দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাব থেকে মানুষের রক্ষার্থে সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করলেও কি কারনে ইটভাটার কার্যক্রম বন্দ হলো না এটা আমার বোধগম্য নয়।করোনা ভাইরাস বেশি প্রভাব পড়তে পারে ইটভাটা শ্রমিকদের উপর।কারন তারা সারাদিন ধুলা বালুর মধ্যো কাজ করে।

এবং ভাটার ইট ট্রাকের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ হয়ে থাকে।তাদের মাধ্যমে ও করোনা ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি মন্তোব্য করেন। ইটভাটা শ্রমিকদের মাঝে করোনা ভাইরাস ছড়াতে না পারে সে জন্য ভাটা বন্দ সহ প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সচেতন মহল।

স/এষ্

700
Print Friendly, PDF & Email