সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বনবিভাগের

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট: করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দেশের স্কুলগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ কারণে অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে সুন্দরবনে ভ্রমণে চলে আসতে পারেন। এজন্য সুন্দরবনে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বনবিভাগ।

www.linkhaat.com

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জনসাধারণকে বনের ইকোটুরিজম স্পটগুলোতে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ঠেকাতে এ সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। প্রধান বনসংরক্ষক (সিসিএফ) মো. শফিউল আলম সাক্ষরিত এক আদেশের কপি বৃহস্পতিবার সমস্ত বন অফিসে পৌঁছানো হয়েছে।

পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবত থাকবে বলে বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে।বন বিভাগের খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. মঈনুদ্দিন খান নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, বন অধিদপ্তরের আওতাধীন সুন্দরবনসহ বন বিভাগের সকল ইকোটুরিজম স্পটে করোনাভাইরাসের বিস্তার প্রতিরোধে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ নির্দেশনা প্রতিপালনের জন্য সকল ট্যুর অপারেটরদেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. জয়নাল আবেদীন জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে ই-মেইলের মাধ্যমে প্রধান বনসংরক্ষকের সাক্ষরিত আদেশের কপি তিনি পেয়েছেন। এর পর পরই শরণখোলা রেঞ্জের তিনটি স্টেশন ও ১৩টি টহল ফাঁড়িতে বার্তা পাঠানো হয়েছে। সুন্দরবনে যাতে কেউ প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য রেঞ্জের ১৬টি ইউনিটে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কঠোর নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, দেশে করোনা সংক্রমন দেখা দেয়ায় সতর্কতার জন্য সুন্দরবনের পর্যটন এলাকা কটকা, কচিখালী, হিরণপয়েন্ট, হারবাড়ীয়া, করমজলসহ বনের অন্যান্য পর্যটন এলাকায় দর্শাণার্থীদের প্রবেশে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর থাকবে।

স/এষ্

700
Print Friendly, PDF & Email