বগুড়ায় সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীকে হত্যার চেষ্টা করল চেয়ারম্যান মতিন

নিজস্ব প্রতিনিধি : জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী অনন্যা হীরাকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বগুড়ার ৭ নং দূর্গাহাটার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে।

সাংবাদিক অনন্যা হীরা জানান তার পূর্বপুরুষের দেরশ বছরের জমিতে ফলের গাছ লাগানো ছিল। বাঁশের বেড়া দিয়ে সিমানা নির্ধারণ করাও ছিল।

গত ৩ নভেম্বর সকাল ১০টায় জমিতে গিয়ে সাংবাদিক অনন্যা হীরা দেখেন ৭নং ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও তার দলবল জোরপূর্বক তার জমির দখল নিচ্ছে। প্রকাশ্যে তিনি ফলের বাগানের বেড়া ভেঙ্গে গাছের চারা কেটে অনন্যা হীরার পূর্ব পুরুষের জমি দখল করছে এতে অনন্যা হীরা বাঁধা দেয়। তখন চেয়ারম্যন আব্দুল মতিন অনন্যা হীরাকে অশ্লীল ভাষায় গালি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়

অনন্যা হীরা তাদের অবৈধ ভাবে জমি ও বেড়া ভাঙ্গচুরের দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করলে চেয়ারম্যানের আদেশে তার বাহিনীর লোকজন অনন্যা হীরার কাছ থেকে ফোন কেড়ে নেয়ার চেষ্ঠা করে। কোন ভাবে মোবাইল কেড়ে নিতে না পেরে তারা অনন্যা হীরার শ্লীলতাহানি করে ।

অনন্যা হীরা দৌড় দিয়ে ঘটনাস্থান থেকে পালানোর চেষ্টা করলে আব্দুল মতিন এর বাহিনী তাকে খুন করার উদ্যেশে শাবল ও লাঠি নিয়ে তেড়ে আসলে তিনি নিজেদের বাড়িতে গিয়ে আহত হবার হাত থেকে রক্ষা পান।

ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এভাবে অন্যের জমি দখল করে আসছে বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। গ্রামের নিরিহ মানুষ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায়না।

এখন চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন একই কায়দায় অনন্যা হীরার জমি কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করছে ।

এতদিন পার হলেও অনন্যা হীরা এখনও আব্দুল মতিনের ভয়ে নিজের জমিতে যেতে পারছে না। চেয়ারম্যান তার লোকদের হুকুম দিয়েছে অনন্যা হীরা জমিতে গেলেই তাকে যেন পুড়িয়ে মারা হয় ।

এর আগেও আব্দুল মতিন এলাকায় হত্যাকান্ড চালিয়েছে বলে অনেকে অভিযোগ করেছে। তার নামে হত্যা মামলা হয়েছে ।

অনন্যা হীরা বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদের অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও চমক নিউজ ডট কম এর নিজস্ব প্রতিনিধি হিসাবে কর্মরত আছেন। বগুড়ার গাবতলী থানায় এবিষয়ে একটি সাধারণ ডাইরি করা হয়েছে।

এখন দেখার বিষয় কার হাত বড়? আইনের না আব্দুল মতিনের।

 

স/রা/রা

Print Friendly, PDF & Email