রাণীনগরের আকনা-বড়গাছা গ্রামীণ রাস্তা খানা-খন্দে ভরা মরণ ফাঁদ

মুরাদ চৌধুরী, নওগাঁঃ নওগাঁর রাণীনগরের আকনা-বড়গাছা গ্রামীণ রাস্তার মাঝে মাঝে বড় বড় খানা-খন্দে ভরপুর। রাস্তার কোথাও কোথাও পুরো অংশ ভেঙ্গে ও পাঁকা উঠে গিয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

www.linkhaat.com

এতে প্রতিনিয়তই স্কুলের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে আর ঘঠেই চলেছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

বর্তমান সরকার যেখানে গ্রামে শহরের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে বধ্য পরিকর সেখানে গ্রামীন এই রাস্তার বেহাল দশার দীর্ঘ সময় পার হলেও তা সংস্কার করার কোন খবর নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় এই রাস্তার আকনা থেকে বড়গাছা যাওয়ার প্রায় ৩কিলোমিটার রাস্তা বর্তমানে খানা-খন্দে ভরা মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে আকনা,বাঁশবাড়িয়া, বড়গাছা, দেউলিয়া, মানিকহারসহ প্রায় ১০টি গ্রামের মানুষদের প্রতিনিয়তই চলাচল করতে হয়।

চলাচলের জন্য এই রাস্তাটি একমাত্র পথ হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। শুকনো মৌসুমে কোন মতে চলাচল করা গেলেও চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় বর্ষা মৌসুমে। দিনে কিংবা রাতে চলাচলের সময় রাস্তার পাঁকা উঠে যাওয়া অংশে উল্টে পড়তে হয় মানুষদের। যাতায়াত করতে পারে না ভ্যানগাড়ী, সাইকেলসহ ছোটখাটো যানবাহন।

আকনা গ্রামের ইসা,বুলুসহ অনেকেই বলেন আমরা চরম অবহেলিত এলাকায় বসবাস করি। যার কারণে দীর্ঘ সময় পার হলেও গ্রামীন এই অবহেলিত মরণ ফাঁদ রাস্তায় এখনো পর্যন্ত আধুনিকতার কোন ছোঁয়াই লাগেনি। স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি অনেকবার জানানোর পর প্রায় ৩বছর পার হলেও রাস্তাটি এখনোও বেহাল দশায় পড়ে আছে।

বড়গাছা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম শফু বলেন এই রাস্তা সংস্কারের জন্য সকল কাগজপত্রাদি উপজেলা প্রকৌশলী অফিসে জমা দিয়েছি। আশা করছি অল্প কিছুদিনের মধ্যেই কাজ শুরু হবে।

উপজেলা প্রকৌশলী শাইদুর রহমান মিঞা বলেন, এই রাস্তা সংস্কারের জন্য দরপত্র প্রদানের জন্য সকল কার্যক্রম শেষের দিকে। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি পেলেই কাজের দরপত্র আহ্বান করা হবে। আর তখন এই রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।

স/এষ্

700
Print Friendly, PDF & Email