বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ শুধু সমালোচিত ব্যক্তি না আছে পলাশের মতো ব্যক্তি

নিজস্ব প্রতিনিধি : শুরু হয়েছে রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার শুদ্ধি । সেই অভিযানে অনেকেই কোন ঠাসা। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ শুধু সমালোচিত ব্যক্তি না আছে পলাশের মতো ব্যক্তি।

প্রানের চেয়েও প্রিয় নেত্রীর বাসভবনে গুলীবর্ষনকারী কোন প্রোগামে গেলে অনুপ্রবেশ কারিদের অস্রধারী বডিগার্ডদের জন্য যাওয়া যায় না নিজস্ব জায়গায়, এ কারনে যুব রাজনীতিতে মাহবুবুর রহমান পলাশ ছিল অনেকটা কোনঠাসা অসহায়। নিজেকে গুটিয়ে নেয় আবার যখন দেখে জাতির জনকের কন্যা এমন বিষয় মোকাবিলা করে দেশী বিদেশি ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে সোনার বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সফলভাবে।

তখন কি পলাশরা বসে থাকতে পারে। পলাশ সেই পলাশ যে নাকি,১/১১ সময়ে ২৩ বিবি এভিনিউ সর্বনিন্ম ৭ জনের মিছিলের সে একজন ছিলেন। মতিয়া চৌধুরী, সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, মেহের আফরোজ চুমকি, তহুরা বেগম,শাহিন মনোয়ারা, ফরিদুননাহার লাইলি মাহবুবুর রহমান পলাশ।

কে এম হাসান, এম এ আজিজ হটাও আনদোলনের সময় ২৩ বিবি এভিনিউ তে মতিয়া চৌধুরীকে যখন পুলিশ আক্রমণ করতো এমিলি, চুমকিদের টানা হেচরা করতো পলাশ তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের লাঠির বাড়িতে নিজে আহত হয়ে তাদের রক্ষা করতো। পুলিশ যখন পলাশের দলীয়কর্মীদের নির্বিচারে লাঠিচার্জ, গুলি, টিয়ারগ্যাস মারতো জীবন বাঁচাতে তখন দলীয় নেতাকর্মীরা পার্টি অফিসের ভিতর আশ্রয় নিত,কিন্তু যখন পেটোয়া পুলিশ বাহিনী কেচিগেট ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করতো, তালা ভাংগতে পার্টি অফিসের ভেতর টিয়ারগ্যাস মারতো, মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ তখন তার উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে তোফায়েল আহমেদকে কল করে বলতো লিডার বাঁচান আমাদের পার্টিঅফিস ভেঙে পুলিশ ভিতরে ঢুকে আমদের মেরে ফেলবে। তোফায়েল ভাই ১০/১৫ মিনিটের মধ্যেই চলে আসতো, পলাশের সাথে আলাপ করে জানি তৎকালীন পুলিশ তার দেখা মতে তোফায়েল ভাই এবং মরহুম মেয়ের হানিফ সাহেবকে সমীহ করতো। লগি-বইঠায় পল্টন এলাকা পলাশকে দেখা গেছে সবার আগে।

তাহলে মাহবুবুর রহমান পলাশের দল তিনবার ক্ষমতায়। পলাশ নিজেকে গুটিয়ে রাখে কেন প্রশ্ন করে ছিলাম তাকে জবাবে মৃদু হেসে বলেছে বিরোধী দলের সঙ্গে আন্দোলনের মধ্যে নিজেদের অধিকার আদায় করতে শিখেছি প্রিয় নেত্রীর কাছে। কিন্তু পাওয়ার পাটি ব্যবহার করতে হয় কেমন করে তা শিখি নি। অনুপ্রবেশ কারীদের প্রমোট করতে শিখায় নি।

আলাপচারিতার একপর্যায়ে পলাশ বলে একদিন শুধাসদন থেকে জাহাঙ্গীর ভাই ফোন করে যেতে বলে। কারন তখন অনেক রথী মহারথী আত্যগোপনে, তাই আমার ডাক পরে, জাহাঙ্গীর ভাই বলে দেশের জন্য কিছু করতে হবে,আমি রাজি হই একবাক্যে রাজি হওয়ার পর ঝামেলাই পরি। কাউকে পাইনা কি করা নৌকার সমর্থক মেধাবী, খায়রুল,কাজি মহসীন, মঈন,তমাল,বাটুল ও ছোট ভাই রিয়াজ এদের সাথে আলাপ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নেমে পড়ি রাজপথে।

চারজন মারাত্মক আহত হয়ে সেন্টাল হসপিটাল ভর্তি হয়। জাহাঙ্গীর ভাই চিকিৎসার জন্য ১ লাখ বিল দেয় হাসপাতালে। কিন্তু আমাদের আন্দোলন সফল হয়েছিল তাই জাহাঙ্গীর ভাই আমাকে মমতাময়ী মা দেশরত্নের কাছে নিয়ে যান কর্মি বান্ধব নেত্রী ঘটনা শুনে আমাকে বুকে জড়িয়ে বলে পলাশ ভুলবো না তোরে, এটাই আমার অর্জন এজন্য আর অন্য কিছু হয়না প্রয়োজন।

তখন ড. আওলাদ ভাই ছবি তুলতে বারন করে শিখর ভাই নিরব, জাহাঙ্গীর ভাই নিয়ে গিয়েছিল আমার টিমকে নেএীর কাছে সুধাসদনে।

মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ
১৯৮০ সালের ১ লা মার্চ রাজধানীর তেজগাঁওয়ের পূর্বতেজতুরী বাজারে জন্ম গ্রহন করেন। তার শৈশব কাটে ঢাকায়। বেড়ে উঠেন মুন্সিগঞ্জে। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় নৌকা মার্কা, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, জয় শেখ হাসিনার স্লোগান দিয়ে ভোটের ময়দানে নেমে পড়ে মাত্র ৮ম শ্রেণী পড়ুয়া ছাত্র মুহাম্মাদ মাহবুবর রহমান পলাশ।

পলাশের রাজনৈতিক গুরু তার বাবা মুহাম্মদ আঃ ওয়াদুদ গোড়াপী, মহান মুক্তিযুদ্ধ পাক হানাদার বাহীনির ক্যাম্প পোড়ানোর পর হানাদার বাহিনীর হাতে ধরা পরে, ব্যপক নির্যাতনের ডান হাত যায় তার ভেঙে নিজের জিবনের ৭ মাস জেলে কাটিয়েছেন পলাশের বাবা বের ১৬ ডিসেম্বর ।

পলাশ ১৯৯২ সালে মধ্যেপাড়া ইউনিয়ন ছাএলীগ এর সহ সভাপতি, ১৯৯৪ সালে তেজগাঁও ৩৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কার্যকরী সদস্য, ১৯৯৫ সালে বিকেবি ডিগ্রি কলেজ এর অর্থ সমপাদক, ১৯৯৭ সালে সিরাজ দিখান থানার পরিবেশ সম্পাদক, ১৯৯৯ সালে বিকেবি ডিগ্রি কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগের জিএস, ২০০১ সালে জামাত বিএনপি দোসরদের অমানবিক নিষ্ঠুর নির্যাতনের হাত হতে রক্ষা পায়নি পরিচ্ছন্ন এ ছাত্র নেতা মূত্যুর হাত থেকে বেঁচে গেলেও মাথা হয় পাচ টুকরা, সেলাই লাগে ৩১ টি।

যার ফলে শারীরীক ভাবে তার সব নার্ভ শুকানো। তার রক্তের উপর ভর করে সিরাজ দিখান উপজেলা ছাত্রলীগ আজ সুসংহত।

সেন্ট্রাল ল কলেজে আনোয়ার শাহদাত শাওনের আহবায়ক কমিটিতে ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন তিনি। ছাত্রলীগের রাজনীতি অনেক প্রতিকুলতার মধ্যেও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রখেছেন তিনি। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের রিপন-রোটন প্যানেলে ছিলেন কার্যনির্বাহী সদস্য, ২০০৭ সালে মহানগর দক্ষিন ছাত্র লীগের অন্যতম সভাপতি প্রার্থী ছিলেন মুহাম্মাদ মাহবুবর রহমান পলাশ ,কিন্তু বয়সের কারনে বাদ পড়তে হয় তাকে।

বর্তমানে পলাশ মহানগর দক্ষিন যুবলীগের সহ-সভাপতি। সায়মা ওয়াজেদ পুতুল থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ২০১২ সাল থেকে ঢাকা আন্তজার্তিক বাণিজ্য মেলায় প্রতিবন্ধী শিশুদের বিনামূল্যে বিনোদন দিয়ে আসছেন তিনি, একাজের সীকৃতি সরুপ ৫ বার পুরুস্কৃতি করেছেন, রপ্তানি উন্নয় কর্তৃপক্ষ,যা গণমাধ্যম বেশ প্রচারি।

বর্তমানে তিনি আমাদের অধিকার পত্র নামে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ২০১৫ সালে, ২০১৭ সালে এটার ই প্রিন্ট সংস্করন বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভার্ষনে প্রকাশ করেন বলে জানান তিনি।

গুলিস্তান কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ এর যুগ্ম সম্পাদক, মদিনাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক, বিএসএম ইউ মেডিকেল কলেজ অভিবাবক প্রতিনিধি ছিলেন তিন টার্ম। অন্যকে সুযোগ দিয়েছেন গতবছর।

নিজের রাজনৈতিক জীবনে তিনি একজন পরিচ্ছন্ন ব্যাক্তি হিসেবেই পরিচিত।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের নতুন নেতৃত্বে মুহাম্মাদ মাহবুবর রহমান পলাশকে দেখতে চাচ্ছেন মাঠ পর্যায়ের নেতারা।

স/এষ্

Print Friendly, PDF & Email