ঢাকাশনিবার , ২২ জুন ২০২৪
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

রাস্তার জন্য আর কত দিন অপেক্ষা করতে হবে দক্ষিণখানবাসিদের

চমক নিউজ বার্তা কক্ষ
জুন ২২, ২০২৪ ৮:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রাস্তার জন্য আর কত দিন অপেক্ষা করতে হবে দক্ষিণখানবাসিদের

মো: শাহিন মিয়া ।। অবহেলিত ঢাকা উত্তর সিটির দক্ষিণখানের সড়ক। গত ২০২৩ ইং সালে সড়কটি খোড়াখুড়ি শুরু হয়। এই রাস্তার কারনে এলাবাসীর ব্যবসা-বানিজ্য বন্ধের পথে। দীর্ঘদিন ধরের রাস্তার কাজ চলছে। চলমান রাস্তা প্রকল্পর কাজ মাসের পর মাস এভাবেই পড়ে থাকতে দেখা যায়। বৃষ্টির পানি, বাথরুমের ময়লা পানি ও পোষাক কারখানার কেমিক্যাল মিশ্রিত পানি মিশে একাকার।

সড়কটিতে জমে থাকা পানির এই জলাবদ্ধতায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধ আর মশা-মাছি জন্মাচ্ছে,সেই সাথে ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু। দক্ষিণখান গাওয়াইর বাজার,হাছেন টাওয়ারের সামনে দেখা যায় রাস্তার মাঝে পিট করার পাশে পশু কোরবানি বর্জ্য ও ময়লা আবর্জনা পড়ে আছে মাসের পর মাস।

দুর্গন্ধ আর মশার যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে এলাকাবাসীর জনজীব। নেই কোনো জবাবদিহিতা। এলাকাবাসীর চলাচল নেমে আসে চরম দুর্ভোগ। গতকাল ছবিটি ঢাকা উত্তর সিটির দক্ষিণখান বাজারের সামনে থেকে তুলতে গেলে এবং এলাবাসীর বক্তব্য নিতে গেলে তারা গণমাধ্যমকে জানান,আপনার যতই ছবি তোলেন আর যতই নিউজ করেন কোনো লাভা নেই। এর আগে অনেক টিভি চ্যানেল ও পত্রিকায় নিউজও হয়েছে কোনো লাভই হয়নি এ ভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,এ রাস্তার কাজ কোন বছরে শেষ হবে তার কোনো সঠিক উত্তর জানা নেই,তিনি আরো বলেন,সবে তো রাস্তার কাজ শুরু তার মধ্যে এই রাস্তা আনুমানিক ২শ ফিট দুরে দুরে পিট করে ফেলে রাখছেন ঠিকাদাররা,আবার ভারী বৃষ্টি হলে পিট গুলো পানিতে নিমজ্জিত হয়ে যায়,এই রাস্তা প্রকল্পের কাজটি ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের ত্বত্ত্বাবধানে ঠিকাদারদের দেওয়ায় তারা সঠিক ভাবে কাজ করছে কিনা তাও তদারকিতে কাউকে দেখা যায় না।

শুধু তাই নয় সাধারণ মানুষ চলাচলে সরু জায়গায় দিয়ে পথচারী সাথে পথচারীদের ধাক্কা লেগে প্রতিনিয়ত সংঘর্ষ হতে দেখা যায়,এমন কি একটু বৃষ্টি হলেই চলাচলের পথটি পিছলা হয়ে নারী-পুরুষদের দুর্ঘটনার কবলে পড়তে দেখা যায়।

একজন পথচারী জানান,শুধু দক্ষিণখানের এই প্রধান সড়কটি নয় তার আশপাশের কিছু শাখা রাস্তাও এভাবে খুদে সাধারনে চলাচলের বেকায়দা অবস্থায় পড়ে হয় প্রতিনিয়তই,তিনি আরো জানান,সঠিক ভাবে এই সড়ক খোড়াখুড়ির পরিকল্পনা নেই,যদি সঠিক ভাবে পরিকল্পনা থাকতো তাহলে এলাকাবাসীর এতো দুর্ভোগে পড়তে হতো না।

দক্ষিণখানের সাধারণ মানুষ জানায়,”বর্তমান রাস্তার যে খোড়াখুড়ির অবস্থায় আছে তাতে কোনো মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়লে এ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করতে পারবে না শুধু তাই নয় কোনো মানুষ মারা গেলে তার লাশ দাফন করা কষ্টকর হয়ে যাবে।

এছাড়া দক্ষিণখানে গড়ে উঠেছে বহুতল ভবন আর এ ভবন গুলোতে কোনো কারনে আগুনও ধরে যায় তাহলে ফায়ার সার্ভিসও প্রবেশ করতে পারবে না,” এমন একটা অবস্থা আছে দক্ষিণখান বাসী।

একজন স্থানীয় সাংবাদমাধ্যকে বলেন,মাস খানেক আগে দক্ষিণখান গাওয়াইর কাজি বাড়ি রোডে মসজিদ গলিতে উচুতলার ভবনের দেয়াল ধ্বসে সমকাল পত্রিকার একাউন্টেন ও তার শিশু মেয়ের শরিরে পড়লে রাস্তার বেহালদশার কারনে তাদেরকে দ্রুত হাসপাতালে না নিয়ে যাওয়া শিশু কন্যা সুরাইয়ার মৃত্যু হয়।

সরেজমিনে দক্ষিণখান বাজার থেকে কষাইবাড়ি পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় রাস্তা মাঝে মাঝে খোড়াখুড়ি আবার কোথাও কোথাও বড় বড় সিমেন্টের পাইপ ফেলে ও বেকো মেশিন ফেলে রাখা হয়েছে দিনের পর দিন,মাসখানেক আগে এই রাস্তার কাজ পরিদর্শন করতে আসেন ঢাকা মহানগর উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম,ঢাকা-১৮ আসনের এমপি মো: খসরু চৌধুরী ও সেনাবাহিনীর ব্রিগেড কমান্ডার।

সে সময় ঢাকা উত্তরের মেয়র দক্ষিণখান বাসীকে জানান আগামী ডিসেম্বর রাস্তায় চলাচলে উপযোগী হয়ে যাবে,এদিকে দক্ষিণবাসী জানায়,এভাবে মাসের পর মাস রাস্তার কাজ বন্ধ থাকলে বা ধীর গতি হলে কিভাবে মেয়র সাহেবের কথা ঠিক থাকবে? শুধু তাই-ই নয় এই এলাকায় যদি কোনো মানুষ অসুস্থ হয় এ্যাম্বুলেন্স প্রবেশের কোনো পথ নেই এবং কোনো মানুষ মারা গেলেও তাকে দাফন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।

এমনকি এই দক্ষিণখান এলাকায় বহুতল ভবনে যদি কোনো আগুনের দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে ফায়ার সার্ভিস প্রবেশও করতে পারবে না এই রাস্তা বেহাল ভাবে খোড়াখুড়ি করে দিনের পর দিন ফেলে রাখার কারনে।

এভাবে এভাবে রাস্তা প্রকল্পের কাজ থেমে থেমে চলতে থাকলে অচিরেই দক্ষিণখান এলাকা মানুষের বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাবে। দক্ষিণখানবাসী জানায়,মেশিনারি বাড়িয়ে ও লোকবল বাড়িয়ে এবং ড্রেনেজ ব্যবস্তা করে রাস্তাটির কাজ শেষ করার জন্য এলাকাবাসী আকুতি।

স/এষ্