ঢাকাবুধবার , ১ জুন ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

কসাইবাড়ি থেকে জয়নাল মার্কেট পর্যন্ত রাস্তাটি স মিলগুলোর দখলে

চমক নিউজ বার্তা কক্ষ
জুন ১, ২০২২ ৭:১২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কসাইবাড়ি থেকে জয়নাল মার্কেট পর্যন্ত রাস্তাটি স মিলগুলোর দখলে

মোঃ রফিকুল ইসলাম মিঠু : ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের দক্ষিণখানের কসাইবাড়ি থেকে আরম্ভ করে জয়নাল মার্কেট পর্যন্ত রাস্তার পাশে গড়ে উঠেছে ব্যাঙের ছাতার মতো শতাধিক স মিল।যথাযথ তদারকি না থাকায় যত্রতত্র পড়ে আছে গাছের গুঁড়ি ও কাঠের টুকরা। বিঘ্নতা ঘটছে পথচারীদের পথচলায়। এছাড়াও প্রতারিত হচ্ছেন কাঠ ক্রেতারা। গাছের ছাল বাকল উঠিয়ে আমকাঠ,জামাকাটকে বিক্রয় করা হচ্ছে শাল-গজারি চিটাগাং সেগুন বলে। শুধুমাত্র একটি ট্রেড লাইসেন্স এর উপর নির্ভর করে প্রতিদিন ব্যবসা করে যাচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।

তাদের চালানপত্রে নেই সরকারি কোন ভ্যাট ট্যাক্স এর নমুনা? সামগ্রিক বিষয় নিয়ে কথা হয় বাংলাদেশে টিম্বার্স, চট্টগ্রাম টিম্বার্স, তালুকদার টিম্বার্স, বান্দরবন টিম্বার্স এর কর্মচারীদের সাথে ।এ সকল বিষয়ে তারা কোন কিছু বলতে নারাজ তারা বলেন মালিকরাই ভালো জানেন কত টাকা ভ্যাট ট্যাক্স দেন এবং রাস্তা ব্যবহার করার কোন অনুমতি আছে কি না? রাস্তা দখলের বিষয়টি নিয়ে ৫০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ডিএম শামিমের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তার ফোনটি সুইচ অফ বলে।

ইতিপূর্বেও স মিল গুলোর মালিকেরা ৫০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ডি এম শামীম এর বিরুদ্ধে মেয়র গোল্ডকাপের নামে চাঁদাবাজীর অভিযোগ করেন। আসলে যা ছিল বানোয়াট ও মিথ্যা। কাউন্সিলর ডিএম শামীমের পিএস কানন বলেন বিভিন্ন সময়ে রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখার জন্য তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন বলেই আজ স মিল মালিক গুলো উনার বিপক্ষে অবস্থান করছে। রাতের অন্ধকারে এসকল স মিল থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাঠ পাঠানো হয়। কিন্তু তদন্ত করতে গিয়ে দেখা যায় যে এদের থাকে না কোন ট্রানজিট পাস (টি পি)।

রাস্তায় ট্রাফিক সার্জেনদের ম্যানেজ করেই চলছে তাদের এই ধুমধারাক্কা ব্যবসা। ভাগ-বাটোয়ারার কিছু অংশ দক্ষিনখান থানা ও পেয়ে থাকেন বলেও অনেকে মত প্রকাশ করেন। আশেপাশের বাসিন্দারা জানান সহ মিলগুলোর যন্ত্রণায় রাতে দিনে ঘুমানো অসম্ভব। এলাকাবাসীর অনেকেই মত প্রকাশ করেন যে ঠিকমতো হিসাব করে দেখলে জায়গাগুলো বেশিরভাগ রেলওয়ের। খতিয়ে দেখতে হবে প্রতি মাসের ভাড়া গুলো নিচ্ছে কারা? এই সমস্যা গুলোর সংক্রান্ত ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তরের দক্ষিনখান অঞ্চলে কে বা কারা আছেন এবং কি ব্যবস্থা নিচ্ছেন এটাই এখন সময়ের দাবি।

স/এষ্